শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে - ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায়

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অনেকেই জানতে চান শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে এবং ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় তাই আজকে আপনাদের জানাবো শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে। আপনি যদি আজকের আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারবেন শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে সহ এই সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে।
শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে - ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায়

যদি শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় এ সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

সূচিপত্রঃ শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে - ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় 

শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে

শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে এই বিষয়ে জানার জন্য অনেকে ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন। একজন পুরুষ যখন বয়সন্ধিকালে পৌঁছায় তখন থেকে তার শুক্রাণু তৈরি হওয়া শুরু হয়। এবং শুক্রাণু তৈরি হতে মানুষ ভেদে এবং শরিরের কার্যক্ষমতা অনুযায়ী প্রাথমিক ক্ষেত্রে ৭২ দিন থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত লাগে। একজন পুরুষের বয়স যখন ১২-১৩ বছর হয় তখন থেকে তাদের শুক্রাণু তৈরি হওয়া শুরু হয়। 

আরো পড়ুন: কোন কোন খাবারে এলার্জি আছে - কোন কোন খাবারে এলার্জি নেই

তবে একটা পুরুষের  প্রতিনিয়ত শুক্রাণু তৈরি হতে থাকে। আজকে একটা শুক্রাণু তৈরি হওয়া শুরু করলে এবং এটার চক্র শেষ হয়ে গেলে কালকে আবার আরেকটি হওয়া শুরু হয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে গড়ে পুরুষের প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার শুক্রাণু জন্ম নেয়। আশা করছি একটা ধারণা পেলেন শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে। 

শুক্রাণু কমে যাওয়ার লক্ষণ

কোন পুরুষের যদি শুক্রাণু কমে যায় তাহলে সেই পুরুষ সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারাবে। বর্তমানে অনেক পুরুষ সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারাচ্ছে এর কিছু কারণ রয়েছে। কিন্তু এখনো অনেকের অজানা শুক্রাণু কমে যাওয়ার লক্ষণ গুলো সম্পর্কে। শুক্রাণু কমে যাওয়ার কিছু লক্ষণ লক্ষণ গুলো সম্পর্কে জেনে রাখুন।

  • সহবাসের সময় কম সময়ে বীর্যপাত হয়ে যাওয়া।
  • অল্প পরিমাণ বীর্যপাত এবং বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়া
  • যৌন ইচ্ছা বা চাহিদা অনেকটা কমে যাওয়া
  • অন্ডকোষের আশেপাশে ফুলে যাওয়া এবং ব্যথা করা
  • স্তনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়ে যাওয়া
  • যেকোনো কিছুর গন্ধ গ্রহণে অক্ষমতা
  • শ্বাসযন্ত্রের বারবার সংক্রমণ দেখা দেওয়া
এগুলো লক্ষণ যদি কোন পুরুষের মধ্যে দেখা দেয় তাহলে বুঝতে হবে সেই পুরুষের শুক্রাণু আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। আর পুরুষের শুক্রাণু কমে যাওয়ার কিছু কারণ রয়েছে সেগুলো ভুল কাজ করার কারণে আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমে যায় তাই সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে এবং সেই ভুল কাজগুলো করা যাবে না। 

শুক্রাণু কমে যাওয়ার কারণ

পুরুষের কিছু ভুল কাজ এবং ভুল ভাবে চলাফেরা করার জন্য শুক্রাণু কমে যায় এতে করে একজন পুরুষ সন্তান জন্মদানে অক্ষম হয়ে পড়ে। সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য একজন পুরুষের পর্যাপ্ত পরিমাণ শুক্রাণু থাকা প্রয়োজন কিন্তু অনেকেরই শুক্রাণু কমে যাচ্ছে কি কারনে শুক্রাণু কমে যাচ্ছে বা যায় সেগুলো কারণ জেনে রাখুন। শুক্রাণু কমে যাওয়ার কারণ গুলো হলো: 

১। শুক্রাণু কমে যাওয়ার প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো হস্তমৈথুন করা কারণ অনেক পুরুষের অভ্যাস রয়েছে হস্তমৈথুন করা এবং এটা নিয়মিত করার কারণে পুরুষের শুক্রাণু কমে যায়  এতে করে সেই পুরুষ আস্তে আস্তে সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারাতে থাকে। 

২। অতিরিক্ত টাইট এবং আটোসাটো আন্ডারওয়্যার নিয়মিত সবসময় পড়ে থাকার জন্য এটা অনেক সময় শুক্রাণু তৈরি হওয়াতে বাধা প্রদান করে আর এতে করে শুক্রাণু তৈরি হতে পারে না এবং আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমে যায়।

৩। নিয়মিত অতিরিক্ত ধূমপান সেবনের কারণে শুক্রাণু তৈরি হওয়া কমে যায় এবং আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমে যেতে থাকে।

৪। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যায় এবং এটা আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে তাই সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা যদি না হারাতে চান তাহলে অতিরিক্ত মদ্যপান করা থেকে বিরত থাকুন।

আরো পড়ুন: মধুময় বাদাম খাওয়ার উপকারিতা - মধুময় বাদাম খাওয়ার নিয়ম  

৫। আপনার হয়তো অনেকেই জানেন শুক্রাশয় শরীরের বাইরে থাকে তাই আপনি যদি আপনার কোলে ল্যাপটপ নিয়ে থাকেন অথবা আপনার লিঙ্গের আশেপাশে মোবাইল রেখে ঘুমান তাহলে এটা থেকে যে গরম তাপ বের হয় সেই তাপ শুক্রাণু উৎপন্ন হওয়াতে বাধা প্রদান করে এবং শুক্রাণু কমে যায়।

৬। অতিরিক্ত টেনশান এবং কাজের চাপে থাকলে এটা আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে তাই অতিরিক্ত টেনশন বা অতিরিক্ত কাজের চাপের মধ্যে না থাকার চেষ্টা করবেন।

৭। স্পাম অর্থাৎ শুক্রাণু তৈরি হওয়া স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত সুস্থ এবং স্বাভাবিক যৌন মিলন করা প্রয়োজন। যদি এটা না হয় তাহলে আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমে যেতে থাকে।

৮। অনেকের অভ্যাস রয়েছে একটু কিছু হলেই গরম পানিতে গোসল করা কিন্তু নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করার ফলে এটা শুক্রাণু তৈরি হওয়াতে বাধা প্রদান করে এবং আস্তে আস্তে শুক্রাণু কমে যায়।

৯। অনেকে বেশি বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন কিন্তু এই সানস্ক্রিন অতিরিক্ত ব্যবহার করার কারণে সানস্ক্রিন এর মধ্যে থাকা কিছু উপাদান রয়েছে যেগুলো শুক্রাণু কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে তাই অতিরিক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন না। 

শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায়

শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে তা আপনারা ইতোমধ্যে  জানতে পেরেছেন কিন্তু অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় তাই আজকে আপনাদের জানাবো প্রাকৃতিকভাবে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় এবং ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় প্রথমে জেনে রাখুন প্রাকৃতিকভাবে যেভাবে শুক্রানু বৃদ্ধি করবেন।

বর্তমানে অনেক পুরুষ রয়েছে যাদের কিছু ভুলের কারণে শুক্রাণু কমে যাচ্ছে তাই শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় হলো নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, প্রতিদিন শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করা এবং অতিরিক্ত কাজের চাপের মধ্যে না থেকে কিছুটা সময় আড্ডা দেওয়া বা খেলাধুলা করা, মদ্যপান এবং ধূমপান এড়িয়ে চলা, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো, বেশি বেশি পানি পান করা, অতিরিক্ত ওজন থাকলে ওজন কমিয়ে ফেলা 

হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করা, সহবাস করার সময় থুতু ব্যবহার না করা কারণ থুতুর মধ্যে অনেক জীবাণু থাকে যেগুলো শুক্রানু বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে আর সবশেষে শুক্রাণু বৃদ্ধি করার জন্য নিয়মিত সুস্থ এবং স্বাভাবিক যৌন মিলন করা। এগুলো যদি আপনি ঠিকঠাক মতো মেনে চলতে পারেন তাহলে আপনার শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। 

ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় 

উপরের অংশে আপনারা জানলেন শুক্রানু বৃদ্ধির উপায় কিন্তু আমাদের ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় রয়েছে সেই উপায় গুলো হলো কিছু খাবার সেগুলো যদি নিয়মিত খেতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনার শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। ইসলামে যৌন শক্তিএবং শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় খাবারগুলো হলো খেজুর আপনি যদি নিয়মিত খেজুর খেতে পারেন তাহলে এতে করে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে।   

আরো পড়ুন: গর্ভাবস্থায় যে ৮ টি কাজ করা নিষেধ - গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা

শুক্রাণু বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য ইসলামী নিয়ম মেনে চলাফেরা করতে হবে যেমন নামাজ-কালাম পড়তে হবে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং বেশি বেশি দোয়া দরুদ পাঠ করতে হবে এগুলো যদি আপনি করেন তাহলে আপনার মধ্যে কোন খারাপ চিন্তা ভাবনা আসবে না আর আপনার মধ্যে যদি কোন খারাপি না আসে তাহলে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং এতে করে শুক্রাণু বৃদ্ধি হতে থাকবে। 

আর আপনি যদি বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করেন তাহলে আল্লাহর তরফ থেকেই আপনার সকল সমস্যা দূর হয়ে যাবে এবং এভাবেই ইসলামিক নিয়ম মেনে চলাফেরা করলে শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে।বিশ্বনবী (সাঃ) বলেছেন নিয়মিত ডিম খেলে যৌন স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায় এবং সেইসাথে শুক্রাণু বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই আপনার যদি  যৌন দুর্বলতা দেখা দেয় এবং শুক্রাণু কমে যায় তাহলে  আপনিও খেতে পারেন এগুলো। 

শুক্রাণু বৃদ্ধির খাবার -  বীর্যে শুক্রাণু বৃদ্ধির খাবার

শুক্রাণু বৃদ্ধির খাবার হিসেবে বেশ কিছু খাবার রয়েছে সেগুলো যদি আপনি নিয়মিত খেতে পারেন তাহলে এতে করে শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। বীর্যে শুক্রাণু বৃদ্ধির জন্য যে সকল খাবার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখবেন সেগুলো হলো: খেজুর,কাজু বাদাম, কাঠবাদাম, চিনা বাদাম,পেস্তা বাদাম,আখরোট, কলা ,দুধ,ডিম, মধু,ছোলা, ব্রোকলি, পালং শাক, মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, গাজর, রসুন, গরুর মাংস, মসুর ডাল ইত্যাদি জিংক এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। 

শুক্রাণু কোথায় তৈরি হয়

সন্তান জন্মদানের জন্য শুক্রাণু প্রয়োজন হয় অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন শুক্রাণু কোথায় তৈরি হয়? শুক্রাণু তৈরি হয় শুক্রাশয় এর মধ্যে এবং এই শুক্রাশয় থাকে অন্ডকোষের মধ্যে তাহলেএর থেকে বোঝা যাচ্ছে শুক্রাণু অন্ডকোষের মধ্যে একটি থলি রয়েছে সেই থলির মধ্যে তৈরি হয় এবং সেখানেই থাকে। এবং সহবাস করার সময় সেখান থেকে সেই শুক্রাণু গুলো নির্গত হয়ে থাকে। 

কত বছর পর্যন্ত শুক্রাণু তৈরি হয়

একজন পুরুষ যখন বয়সন্ধিকালে পা রাখে তখন তার শুক্রাশয়ে শুক্রাণু তৈরি হতে শুরু করে। একজন পুরুষের .১২ থেকে ১৩ বছর বয়স হলে শুক্রাণু তৈরি হওয়া শুরু হয়। এবং যতদিন পর্যন্ত যৌবন থাকে ততদিন পর্যন্ত শুক্রাণু তৈরি হতে থাকে। যখন যৌবন কাল শেষ হয়ে যাবে তখন আর শুক্রাণু তৈরি হবে না। একজন পুরুষের ৫০ বছর হয়ে গেলে তখন থেকে শুক্রাণু তৈরি হওয়া কমে যেতে থাকে। 

তবে কত বছর পর্যন্ত শুক্রাণু তৈরি হয় এটা একেবারে সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ একটি গবেষণায় দেখা গেছে ৯২ বছর বয়সে একজন পুরুষ সন্তান দিয়েছিল তাই এর থেকে বোঝা যায় অনেক বেশি বয়স হয়ে গেলেও কিছু কিছু পুরুষের শুক্রানু তৈরি হতে পারে তবে সেটার সম্ভাবনা খুব কম। 

শুক্রাণু বৃদ্ধির ব্যায়াম

শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে ইতিমধ্যে আপনাদের জানিয়েছি কিন্তু শুক্রাণু বৃদ্ধির আরেকটি সেরা উপায় হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা। আপনি যদি নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাহলে আস্তে আস্তে শুক্রাণু বৃদ্ধি পেতে থাকবে তবে শুধুমাত্র ব্যায়াম করলেই হবে না নিয়মিত খাবার খেতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে তারপরে প্রতিদিন আপনি যদি কিছু শারীরিক ব্যায়াম করেন তাহলে শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। তাই শুক্রাণু বৃদ্ধি করতে চাইলে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন তাহলে ইনশাআল্লাহ শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। 

শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় ঔষধ

শুক্রাণু বৃদ্ধি করার জন্য অনেকেই ঔষধ খেতে চান কিন্তু আমি বলব শুক্রাণু বৃদ্ধির জন্য ঔষধ না খাওয়াই ভালো কারণ অনেকে ওষুধ রয়েছে যেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে সেজন্য সে সকল ঔষধ খাওয়ার কারণে আপনি হারাতে পারেন আপনার যৌন ক্ষমতা। তারপরেও যারা শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় ঔষধ এর নাম জানতে চান এবং খেতে চান তাদের বলবো শুক্রাণু বৃদ্ধির জন্য হামদার্দ কোম্পানির ইনস্পার্ম এবং  স্পামার্টিন ট্যাবলেট খেতে পারেন। এছাড়াও শুক্রাণু বৃদ্ধির জন্য Selenium 3X (সেলেনিয়াম থ্রি এক্স) হোমিও ঔষধটি খেতে পারেন। তবে যেকোনো ঔষধ খাওয়ার আগে চিকিৎসক এর পরামর্শ গ্রহণ করবেন।

শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে - ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায়: শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম শুক্রাণু তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় সহ শুক্রাণু সম্পর্কিত আরো অনেক কিছু বিষয়ে। আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা শুক্রাণু সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলেন। আজকের আর্টিকেলটি পড়ার পরে আপনার যদি একটু উপকার হয়ে থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে ভুলবেন না। 

এবং এই বিষয়ে যদি আপনার আরো কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিতে পারেন।এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন।সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা করে আজকের আর্টিকেলটি এখানেই শেষ করছি। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন