JonopriyoblogPostAd

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় - অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায়

আসসালামু আলাইকুম আপনি কি জানতে চাচ্ছেন অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায়।তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় এই বিষয় সহ এই সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে। তাহলে চলুন বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় এই সকল বিষয়ে।
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয়

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় স্বপ্নদোষের উপকারিতা স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায় সহ এই সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন। 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয়

ঘুমের মধ্যে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সেটাকে স্বপ্নদোষ বলা হয়। অনেক পুরুষ রয়েছে যাদের নিয়মিত স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। এতে করে শরীর নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয় এর কারণ  হলো খারাপ চিন্তাভাবনা করা, অশ্লীল ছবি দেখা ভিডিও দেখা, অশ্লীল কল্পনা করা, হস্তমৈথুন করা, উষ্ণ খাবার গ্রহণ করা এবং অতিরিক্ত নেশা সেবন করার কারণেও স্বপ্নদোষ হয়। চলুন আরো জেনে নেওয়া যাক অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ গুলো:

অশ্লীল চিন্তাভাবনা: অনেকের অভ্যাস রয়েছে মেয়েদের নিয়ে মনের মধ্যে অশ্লীল কামনা বাসনা চিন্তা করা। আর এই উত্তেজনা মূলক চিন্তা ভাবনা করার কারণেই স্বপ্ন দোষ হয়ে থাকে। অথবা কেউ যদি মনে মনে যৌনকর্মের কথা চিন্তা করে তাহলেও স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে।

অশ্লীল ছবি বা ভিডিও: অশ্লীল ভিডিও দেখার অভ্যাস অনেক পুরুষের রয়েছে আর এই অশ্লীল ছবি ও ভিডিও দেখার কারণে উত্তেজনা উঠে এটা মস্তিষ্কেও আঘাত করে আর সেই কারণেই স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে।

সঙ্গিনীকে ছেড়ে দূরে থাকা: অনেক দিনের জন্য সঙ্গিনীকে ছেড়ে দূরে থাকার কারণেও স্বপ্নদোষ হতে পারে। আবার সঙ্গিনীর থেকে দূরে থাকলে তাকে নিয়ে উত্তেজনা মূলক চিন্তাভাবনা করার কারণে স্বপ্ন দোষ হতে পারে। স্বপ্নদোষ হওয়ার আরেকটি কারণ হলো দেরিতে বিয়ে করা ও অনেকদিন সহবাস না করা। 

আরো পড়ুন: শুক্রাণু  তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে - ইসলামে শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায় 

অতিরিক্ত দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া: অতিরিক্ত দুগ্ধ জাতীয় খাবার যেমন দই ঘি এবং আরো দুগ্ধ জাতীয় যতো খাবার আছে এগুলো অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে স্বপ্নদোষ হয়। যেমন অতিরিক্ত ঝাল জাতীয় খাবার অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের কারণে স্বপ্নদোষ হতে পারে।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ: বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা অনেক সময় অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। আর এই মানসিক চাপ কোন কিছু নিয়ে ভয় পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। তখন শরীর শিথিল হয়ে পড়ে এতে করে মস্তিষ্ক কাজ করে না। এবং মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ কার্যক্ষমতা কমে যায় আর এই কারণে স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে।

স্বপ্নদোষ হলে কি ক্ষতি হয় - অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় এটা জেনে রাখা খুবই প্রয়োজন কারণ মাসে যদি দুই থেকে তিনবার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সেটা চিন্তার কোন কারণ নেই। কিন্তু এর থেকে যদি বেশি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে এটা শারীরিক এবং মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে যেসব ক্ষতি হতে পারে সেগুলো হলো:

  •  স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া।
  • মাথাব্যথা করা
  • ঝিমুনি অর্থাৎ ঘুম ঘুম ভাব হওয়া।  
  • শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া। 
  • চোখের দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া
  • লিঙ্গের বক্রতা
  • খাবার খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া 
  • মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
  • শারীরিক মানসিক অবসাদ 
  • কাজে মনযোগ না দিতে পারা
  • লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়া
  • বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়া
  • পিঠ হাটু সহ সারা শরীর ব্যথা করা
  • বন্ধ্যাত্ব অর্থাৎ সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা কমে যাওয়া। 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে এই সকল সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে। আশা করছি জানতে পারলেন অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয়। তাই আপনার যদি অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।  

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায়

অনেকের অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে এতে করে এই বিষয় নিয়ে তারা আরো অনেক চিন্তিত হয়ে পড়ে। সেজন্য এখন এই অংশ থেকে জেনে নিন অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায়। স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে সেগুলো যদি মেনে চলতে পারেন তাহলে অবশ্যই স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাবেন। তাহলে জেনে নিন  অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় গুলো:

১. প্রথমে কোন কারণে আপনার স্বপ্নদোষ হচ্ছে সেটা বের করুন এবং যে কারণে স্বপ্নদোষ হচ্ছে সেই কারণ পরিত্যাগ করার চেষ্টা করুন। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন তাহলে দেখবেন এই স্বপ্নদোষের সমস্যা দূর হয়ে গেছে।

২। রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল বা কম্পিউটারে খারাপ যৌন উত্তেজনা মুলক ভিডিও বা ছবি দেখার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন। তাহলে ইনশাআল্লাহ স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

৩। কোন মহিলা বা সঙ্গীকে নিয়ে যৌন উত্তেজনা মূলক চিন্তা ভাবনা করা পরিহার করুন। কারণ অপর লিঙ্গের কোন মানুষকে নিয়ে এগুলো চিন্তাভাবনা করার কারণে স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। 

৪। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় এর ভেতর আরেকটি উপায় হল নিয়মিত শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করা। আমাদের অনেকের অভ্যাস রয়েছে সারাদিন কোন কাজ কাম না করে শুয়ে বসে থাকা আর এই অতিরিক্ত শুয়ে বসে থাকার কারণে স্বপ্নদোষ হতে পারে। তাই প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করুন। 

৫। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে দ্রুত সেই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। তাহলে ইনশাআল্লাহ এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।  

৬। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রসাব করবেন এবং ভালোভাবে ফ্রেশ হয়ে শুতে যাবেন যদিও এটা স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কোন চিকিৎসা নয় তারপরেও স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা কম হতে পারে। 

আরো পড়ুন: প্রোস্টেট কেন বড় হয় - প্রোস্টেট বড় হওয়ার লক্ষণ

৭। কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে না থেকে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে অনেক সময় স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে।তাই যেভাবেই হোক অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। 

৮। নিয়মিত রাত করে যদি ঘুম না হয় তাহলে এই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে তাই আপনার যদি রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করুন। তাড়াতাড়ি ঘুমানোর জন্য মাথায় ঠান্ডা তেল ব্যবহার করতে পারেন। 

৯। চা এবং তুলসী পাতার রস একসাথে মিশিয়ে পান করলে এটা স্বপ্নদোষ সমস্যার সমাধান করতে বেশ কার্যকরী। 

১০। ত্রিফলা পাউডার অশ্বগন্ধা সহ এরকম আরো বিভিন্ন রকম গাছ গাছালি জাতীয় ওষুধ রয়েছে এগুলো সেবন করার ফলে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। তবে এগুলো খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

১১। যাদের অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের সমস্যা রয়েছে তাদের খাবারের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। যেমন অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না।অতিরিক্ত মসলা জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।এবং অতিরিক্ত দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা।এইগুলো নিয়ম যদি মেনে চলতে পারেন তাহলে স্বপ্নদোষের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

১২। দৈনিক স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং সকল নিয়ম নীতি জীবন পরিচালনা করার মাধ্যমেই এই স্বপ্নদোষের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন। আর উপরের অংশে বলে দেওয়া অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় গুলো মেনে চলার পরেও যদি কোন সমাধান না হয় তাহলে একজন যৌন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে হবে।  

স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায়

প্রিয় বন্ধুরা উপরে আমরা জানলাম  অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় কিন্তু এবার আমরা জানবো স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায়।স্বপ্নদোষ বন্ধ করার জন্য ইসলামী উপায় অনেক বেশি কার্যকরী তাই যাদের স্বপ্নদোষের সমস্যা রয়েছে তাদের ইসলামিক এই উপায়টি বেশ কাজে দিবে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায়।

স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায় হলো রাতে ঘুমানোর পূর্বে অজু করে পাক পবিত্র হয়ে পবিত্র কোরআন শরিফে থাকা সূরা তারিক ১ এক নম্বর আয়াত থেকে ১০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত পাঠ করে বুকে ফু দিয়ে ঘুমালে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। এই সূরাটি যদি মুখস্ত না থাকে তাহলে পবিত্র কোরআনের ৩০ নম্বর পারা খুঁজলে এ সূরাটি পেয়ে যাবেন। তারপরেও নিচে দেখে নিন সূরা তারিক এর ১ থেকে ১০ নম্বর আয়াত।

১। ওয়াছ ছামাই ওয়াততা রিক। 

২। ওয়া মা আদরকা কা মাত্তা রিক।

৩। আন্নাজমুছছা কিব। 

৪। ইন কুল্লুনাফছিল লাম্মা আলাইহা হাফিজ। 

৫। ফালইয়ানযুরিল ইনছা নুমিম্মা খুলিক।

৬। খুলিকা মিম্মাইন দা ফিকি। 

৭। ইয়াখরুজুমিম বাইনিসসুলবি ওয়াত্তারাইব।

৮। ইন্নাহূ আলা রাজইহী লাকা দির।

৯। ইয়াওমা তুবলাছ ছারাইর।

১০। ফামা লাহূমিন কুওওয়াতিও ওয়ালা না - সির।

ঘুমানোর আগে পবিত্র হয়ে এই দশটি আয়াত পড়ে বুকে ফু দিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। 

স্বপ্নদোষের উপকারিতা

স্বপ্নদোষ হওয়া শরীরের পক্ষে ভালো কিন্তু অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে এটা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। স্বপ্নদোষের তেমন কোনো উপকারিতা খুজে পাওয়া যায়নি তাই আপনাদের জানানো সম্ভব হলোনা স্বপ্নদোষের উপকারিতা। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে তা অবহেলা করা যাবে না। 

স্বপ্নদোষ কতদিন পর পর হয়

স্বপ্নদোষ হওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। এটা বিভিন্ন জনের বিভিন্নভাবে কম বেশি হয়ে থাকে তবে কারো যদি মাসে ২ থেকে ৩ বার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মাসে যদি ২ থেকে ৩ বার এর বেশি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে এটা খারাপ হতে পারে। 

যাদের উত্তেজনা বেশি এবং খারাপ চিন্তা ভাবনা বেশি করে তাদের স্বপ্নদোষ বেশি হয়ে থাকে। তবে নিয়মিত মিলন করলে বা হস্তমৈথুন করলে স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। 

আরো পড়ুন: ডান চোখ লাফালে কি হয় - চোখ লাফানোর কারণ ও প্রতিকার

তবে আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে সহবাস করতে পারেন আর অবিবাহিত হলে হস্তমৈথুন করা যাবে না। কারণ অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে যেই ক্ষতি হয় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলেও সেই সমস্যা গুলোই হয়।

স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায় ঔষধ - অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ  

অনেকে স্বপ্নদোষ বন্ধ করার জন্য ঔষধ খেতে চান আসলে কারো যদি মাসে ২ থেকে ৩ বার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে তা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে কারো যদি মাসে ৬ থেকে ৭ বার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে স্বপ্নদোষ বন্ধ করার জন্য হামদর্দের জারনাইড সিরাপ খেতে পারেন।

এই জারনাইড ঔষধ টি শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের উপরে তারা শুধুমাত্র এই সিরাপ ঔষধটি খেতে পারবে।  স্বপ্নদোষ বন্ধ করার এই ওষুধ খাওয়ার নিয়ম হলো: দৈনিক খাবার খাওয়ার পরে ২ চা চামচ দিনে ২/৩ বার। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। 

স্বপ্নদোষ হলে কি খাবার খাওয়া যাবে 

খাবারের সাথে স্বপ্নদোষের তেমন কোন সম্পর্ক নেই। স্বপ্নদোষের সম্পর্ক হলো আপনার মণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার অশ্লীল চিন্তা ভাবনা কল্পনা জল্পনা করার কারনে স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। তবে হ্যা অতিরিক্ত দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত ঝাল যুক্ত এবং তেল যুক্ত খাবার খাবার ফলে স্বপ্নদোষ হয় বলে জানা গেছে।  

আর স্বপ্নদোষ হলে তা শরীরের ওপর অনেক খারাপ প্রভাব ফেলে তাই এ সময় পুষ্টিকর খাবার বেশি বেশি খাওয়া প্রয়োজন। সেটা আপনি যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন কোন সমস্যা নেই। 

বিয়ের পর কি স্বপ্নদোষ হয়

বিয়ের পর কি স্বপ্নদোষ হয় এমন প্রশ্ন সচরাচর অনেকেই করে থাকেন। তবে হ্যা বিয়ের পরে যদি স্ত্রী সহবাস করেন তাহলে বীর্য থলিতে বীর্য কম থাকবে আর নিয়মিত সহবাস করতে পারলে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা উঠার সম্ভাবনা কম থাকবে সেই কারণে বিয়ে করলে স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। 

তবে বিয়ের পরেও যদি কারো ধাতু দূর্বলতার কারণে ঘন ঘন স্বপ্নদোষ হতেই থাকে তাহলে দ্রুত একজন যৌন চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। আশা করছি আজকের পোস্টটি পড়ে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় সহ এই বিষয়ে আরো অনেক কিছু জানতে পারলেন।

স্বপ্নদোষ সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর | FAQs

প্রশ্ন: Night Fall বিষয় টা কি?

উত্তর: Night Fall এর বাংলা হলো স্বপ্নদোষ। ঘুমের মধ্যে কারো যদি বীর্যপাত হয় তাহলে সেটাকে Night Fall বা স্বপ্নদোষ বলা হয়। আর ১৮ থেকে ৩০ বছরের পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যাটা বেশি হয়ে থাকে।

প্রশ্ন: স্বপ্নদোষ হলে গোসল না করে রোজা রাখা যাবে কি?

উত্তর: বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ হয়ে যায় সেই অবস্থায় নামাজ কালাম রোজা কিছুই করা যায় না।  তাই স্বপ্নদোষ হলেও যেহুতু বীর্যপাত হয় তাই শরীর নাপাক হয়ে যায় এবং গোসল ফরজ হয়ে যায় তাই স্বপ্নদোষ হলে গোসল না করে রোজা রাখা যাবে না।

প্রশ্ন: কত বছর বয়স পর্যন্ত ছেলেদের স্বপ্নদোষ হতে পারে?

উত্তর: ছেলেরা যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হতে শুরু করে তখন সচরাচর উত্তেজনা বেশি থাকে সেজন্য ১৩ বছর থেকে ১৮ বছর বয়স থেকে স্বপ্নদোষ হওয়া শুরু হতে পারে এবং বয়স যখন একটু বেশি হয়ে যায় তখন যৌন চাহিদা কমে যায় তখন স্বপ্নদোষ হওয়া কমে যায়।  বয়স ৫০ + বছর হলেই স্বপ্নদোষ হওয়া কমে যেতে থাকে। তবে সবার একই সময় স্বপ্নদোষ হওয়া শুরু বা শেষ হয় না। 

প্রশ্ন: স্বপ্নদোষ হওয়া কি স্বাভাবিক? 

উত্তর: হ্যা স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক তবে সেটা যদি মাসে ২/৩ বার হয়। কিন্তু মাসে যদি ৬/৭ বার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সেটা অস্বাভাবিক তাই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে অবশ্যই চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

প্রশ্ন: ছেলেদের স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ কি?

উত্তর: ছেলেদের স্বপ্নদোষ হওয়ার কারণ হলো অতিরিক্ত অশ্লীল চিন্তাভাবনা করা, অশ্লীল ছবি, ভিডিও দেখা। এছাড়াও আরো কারণ রয়েছে তা উপরের অংশ পড়লেই জানতে পারবেন।

প্রশ্ন: সব ছেলেদের কি স্বপ্নদোষ হয়?

উত্তর: হ্যা বয়ঃসন্ধিকালে কম বেশি স্বপ্নদোষ সবারই হয়ে থাকে। তবে যাদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা তাদের বেশি স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। 

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় - অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায়: শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ কেন হয় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে কি সমস্যা হয় স্বপ্নদোষ হলে কি ক্ষতি হয় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির ১২ টি উপায় স্বপ্নদোষের উপকারিতা স্বপ্নদোষ বন্ধ করার ইসলামিক উপায় স্বপ্নদোষ কতদিন পর পর হয় স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায় ঔষধ অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ঔষধ স্বপ্নদোষ হলে কি খাবার খাওয়া যাবে বিয়ের পর কি স্বপ্নদোষ হয় কিনা এই সকল বিষয়ে।

আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা এই সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন তারপরেও যদি এই বিষয়ে আরো কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিতে পারেন। এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল নিয়মিত পেতে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট ফলো করুন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন