JonopriyoblogPostAd

গর্ভাবস্থায় যে ৮ টি কাজ করা নিষেধ - গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ। গর্ভাবস্থায় মহিলাদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয় কারণ এই সময় কোন ভুল কাজ করলে সেটা অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই আজকে আপনাদের জানাবো গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ এবং গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা সম্পর্কে।তাই আপনি যদি গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ এই সম্পর্কে জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
গর্ভাবস্থায় যে ৮ টি কাজ করা নিষেধ - গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা
গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয় প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কিনা গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের ঔষধ গর্ভাবস্থায় শেষ ৩ মাসের সতর্কতা এই সকল বিষয় আজকের আর্টিকেল থেকে জেনে নিন। 

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ 

একজন মহিলা যখন গর্ভধারণ করেন তখন তার অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয় যেমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো গর্ভাবস্থায় করা উচিত নয়। অনেকে হয়তো প্রথম গর্ভধারণ করেছেন সেজন্য জানেন না গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ। কিন্তু যারা প্রথম গর্ভধারণ করে থাকে তাদের গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ এগুলো বিষয়ে জানা খুবই প্রয়োজন। তবে এমন না যে কোন কাজ করতে পারবেন না অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করতে পারবেন আবার অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করতে পারবেন না গর্ভাবস্থায় কোন কাজগুলো করতে পারবেন না সেগুলো জেনে রাখুন। 

১। গর্ভাবস্থায় কোন ভারী কিছু বহন করতে হবে এমন কাজ করবেন না যেমন ঘরের কোন ভারী আসবাবপত্র এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা সরানোর মত কাজ করবেন না। 

২। গর্ভধারণের প্রথম প্রথম সব কাজই করতে পারবেন তবে পেটে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এমন কোন কাজ কখনোই করা যাবে না। তাই কোন কাজ আপনার পেটে চাপ ফেলছে সেটা আপনি লক্ষ্য করুন এবং সেই কাজ এড়িয়ে চলুন।

৩। যারা প্রথমবার গর্ভধারণ করেন তাদের মিস ক্যারেজের ভয়টা একটু বেশি থাকে সেজন্য এই সময় বসে থাকার কোন কাজ করলে সেগুলো মাটিতে না বসে কোন উঁচু চেয়ারে বা টেবিলে বসে করতে হবে যেমন তরকারি কাটা, রান্নাবান্না, থালা বাসন মাজা। 

৪। গর্ভাবস্থায় কখনোই বাথরুম পরিষ্কার করবেন না কারণ বাথরুম পরিষ্কার করার সময় বিভিন্ন রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় যা অনেক বিষাক্ত হয়ে থাকে। আর এই কেমিক্যাল এর গন্ধ গুলো যদি গর্ভবতী মহিলার ভিতরে যাই তাহলে মা এবং শিশুর দুজনেরই ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আরো পড়ুন: গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা - দুই মাসের গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

৫। উঁচুতে উঠে কোন কাজ করতে হয় এমন কাজ করবেন না যেমন জানালার পর্দা টাঙ্গানো ফ্যান পরিষ্কার করা সহ এরকম আরো যত কাজ রয়েছে এগুলো কাজ গর্ভাবস্থায় করা একদমই নিষেধ। কারণ আপনি যদি উঁচুতে উঠে কোন কাজ করতে যান তাহলে একবার পা ফসকে পড়ে গেলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। 

৬। গর্ভাবস্থায় হাঁটাচলা করতে পারেন কিন্তু একটানা ২০/২৫ মিনিট দাড়িয়ে থাকবেন না কারণ আপনি যদি অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তাহলে পা ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কারণ গর্ভাবস্থায় নারীদের শরীরে অনেক জল থাকে। 

৭। বাড়িতে যদি কোন পোষা প্রাণী থাকে যেমন কুকুর বিড়াল সহ এ জাতীয় কোন প্রাণীর মলমূত্র পরিষ্কার করবেন না কারণ এগুলোর মধ্যে অনেক জীবাণু থাকে যা গর্ভবতী মহিলা এবং গর্ভের সন্তানের জন্য অনেক ক্ষতিকর। 

৮। গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মহিলারা অনেক সময় ঝাড়ু দিয়ে থাকেন তবে মাটিতে ঝুকে ঝাড়ু দিতে হয় বা ঘর পরিষ্কার করতে হয় এমনটা করবেন না যদি গর্ভাবস্থায় ঘর পরিষ্কার করতে চান বা ঝাড়ু দিতে চান তাহলে লম্বা হাতলওয়ালা কোন ঝাড়ু ব্যবহার করবেন যাতে করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঝাড়ু দেওয়া যায়। 

গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা

একজন মহিলা যখন গর্ভধারণ করেন তখন তাকে অনেক সতর্ক হয়ে চলাফেরা করতে হয় এবং খাওয়া দাওয়া করতে হয় অনেকে হয়তো প্রথমবার গর্ভধারণ করেছেন কিন্তু এগুলো বিষয়ে তেমন একটা জ্ঞান নেই সেজন্য অনেক ভুল কাজ করে থাকে তাই আপনার জানতে হবে গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা গুলো এবং এগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে এগুলো না মেনে চলার কারণে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা গুলো।

১। গর্ভধারণের পর থেকে একজন ভালো চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকুন এবং প্রতি মাসে একবার হলেও ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করাবেন। তাহলে ভালোভাবে জানতে পারবেন সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে কিনা।  

২। গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস ব্যায়াম এবং যেকোনো কাজ করা যেতে পারে তবে ভারী কোন ব্যায়াম বা কাজ করা যাবে না। এগুলো বিষয়ে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। 

৩। গর্ভধারণ করার পরে সকল ধরনের অ্যালকোহল বা ক্যাফেইন জাতীয় সকল কিছু এড়িয়ে চলতে হবে। ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করতে পারে এবং এতে করে ঠিকঠাক ঘুম হয় না যা একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য অনেক ক্ষতিকর এতে করে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

৪। গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস সন্তান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাই এই সময় যে কোন ঔষধ খাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক হতে হবে। কোন ধরনের ওষুধ খেতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। 

আরো পড়ুন: গর্ভাবস্থায় কি কি খাওয়া যাবে ও কি কি খাওয়া যাবে না জেনে নিন

৫। অতিরিক্ত টাইট ফিট জামা কাপড় না পরে ঢিলে ঢালা জামা কাপড় পরিধান করতে হবে। তাই জামা কাপড় টাইট হচ্ছে কিনা সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে।

৬। একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ বেশি করে খাবেন না অল্প অল্প করে বারে বারে বা একটু পরপর খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

৭। খাবার খাওয়ার পরে সাথে সাথে বিছানায় শোবেন না কমপক্ষে ৩০ মিনিট বসে থাকবেন তারপরে শুবেন।

৮। অতিরিক্ত চা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেগুলো অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। গর্ভাবস্থায় এদিকটা সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 

৯। গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস অনেক সময় বিভিন্ন কারণ নিয়ে দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ পড়তে পারে তাই এগুলো মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে আশেপাশের বা প্রিয় মানুষদের সাথে বেশি বেশি কথাবার্তা বলুন।

১০। যদি গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসের মধ্যে জটিল কোন সমস্যা দেখতে পান তাহলে ঘাবড়ে না গিয়ে এবং নিজে নিজে কিছু না করার চেষ্টা করে একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করুন। এগুলো সকল সতর্কতা মেনে চলার চেষ্টা করুন ইনশাআল্লাহ কোন ধরনের সমস্যা হবে না।

গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয়

যদি কোন গর্ভবতী মহিলা গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত থাকে তাহলে বিভিন্ন রকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে এমনকি গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই একজন গর্ভবতী মহিলার কখনো অতিরিক্ত বেশি সময় শুয়ে থাকা যাবে না। অনেক মহিলা হয়তো জানেন না গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয় তাই জেনে রাখুন গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয়।

  • কোন গর্ভবতী মহিলা যদি অতিরিক্ত শুয়ে থাকে তাহলে সেই কারণে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হবে না এবং গর্ভে থাকা সন্তানের শরীরের রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে না। 
  •  গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে ওজন বেড়ে যাবে এতে করে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
  • গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে হাই ব্লাড প্রেসার বেড়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন রকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় কিছুটা ব্যায়াম করার প্রয়োজন পড়ে কিন্তু তা না করে যদি সারাদিন শুয়ে থাকেন তাহলে ওজন বেড়ে ডায়াবেটিস হয়ে যেতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় অধিক সময় চিত হয়ে সুয়ে থাকলে নড়াচড়া ও হৃদস্পন্দন কমে যায় এতে করে শিশু পেটের ভিতর মারা যেতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় মেয়েদের সবচেয়ে বেশি ফিট ও চাঙ্গা থাকতে হয় কিন্তু গর্ভাবস্থায় বেশি সুয়ে থাকলে শরীর ভারি হয়ে যায় এতে করে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয় যা মা ও শিশু দুজনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস সহবাস

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন কিন্তু এই সম্পর্কে আরেকটি বিষয়ে জেনে রাখা খুবই প্রয়োজন সেটা হলো প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কিনা।

আরো পড়ুন: তাড়াতাড়ি মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায় - একদিনে মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়

অনেক পুরুষ রয়েছে যাদের সহবাসের চাহিদা অনেক বেশি হয়ে থাকে সেজন্য তারা স্ত্রী গর্ভধারণের পরেও সহবাস করতে চাই। কিন্তু অনেকে বলে থাকে গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে সন্তান নষ্ট হয়ে যায় এটা শুনে হয়তো অনেকে ভয় পেয়ে থাকে। আসলে এটা ভুল ধারণা একজন মহিলা যদি গর্ভধারণের পরে সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে এবং কোনো রকম প্রেগন্যান্সি জটিলতা না থাকে তাহলে প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস সহবাস করতে পারবে এতে করে কোনো রকম সমস্যা হবে না। তবে গর্ভধারণের পরে যদি শরীর দূর্বল হয়ে পড়ে এবং প্রেগন্যান্সি জটিলতা থাকে তাহলে সহবাস না করাই ভালো। 

গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের ঔষধ

গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের ঔষধ সম্পর্কে শুধুমাত্র চেকাপ করার পরেই বলা যাবে। কোনো রকম চেকাপ বা পরিক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা যাবে না। তাই গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের ঔষধ এর নাম বলা সম্ভব নই। 

তবে আপনাকে বলবো বিভিন্ন রকম ঔষধ সেবনের থেকে পুষ্টিকর খাবার খাবেন শাকসবজি ফলমূল খাবেন তাহলে এগুলো আপনাকে গর্ভাবস্থায় পুষ্টি যোগাবে এবং বিভিন্ন রকম সমস্যা থেকে মুক্ত রাখবে।

গর্ভাবস্থায় শেষ ৩ মাসের সতর্কতা

গর্ভধারণের পরে একজন মহিলাকে সব সময় সতর্ক থাকতে হয় কারণ এই সময় কোন ভুল কাজ করলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমনকি নিজের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। আর সন্তান যখন পেটের মধ্যে প্রায় বড় হয়ে যায় তখন মাকে আরো সতর্ক হতে হয়। গর্ভাবস্থায় শেষ ৩ মাসের সতর্কতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় শেষ ৩ মাসের সতর্কতা গুলো হলো: 

১. গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সন্তান এর ওজন বেড়ে যায় সেজন্য এই সময় হাটাহাটি করার সময় বা উঠাবসা করার সময় কারো সাহায্য নিতে হবে অথবা কোনো কিছু ধরে হাটাহাটি বা উঠাবসা করতে হবে।

২. টয়লেট বা ওয়াশরুম যাতে পিচ্ছিল না থাকে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে পা পিছলে পড়ার কোনো ঝুঁকি না থাকে।

৩. ভারি কোনো কাজ করা যাবে না বা ভারি কোনো বস্তু উত্তোলন করা যাবে না।

৪. গর্ভাবস্থার শেষ ৩ মাস দূরে কোথাও ভ্রমণ করা যাবে না। 

৫. খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি সতর্ক থাকতে হবে যেগুলো খাবার খেলে ক্ষতি হতে পারে এগুলো খাবার একাবারেই এড়িয়ে চলতে হবে।

৬. অতিরিক্ত সুয়ে বসে থাকা যাবে না অনেকে তো একেবারেই সব কিছু বন্ধ করে দিয়ে সুয়ে বসে থাকে এটা একদম করা যাবে না। এই সময় ফিজিক্যাল এক্টিভিটি থাকতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর | FAQs

প্রশ্ন: গর্ভবতী অবস্থায় কনডম ব্যবহার করা যায় কি?

উত্তর: হ্যা গর্ভবতী অবস্থায় কনডম ব্যবহার করা যায়। গর্ভাবস্থায় অনিরাপদ সহবাস করার ফলে যৌনবাহিত রোগ ছড়াতে পারে এতে করে গর্ভের সন্তানের ওপর খারাপ প্রভাব পড়বে তাই গর্ভাবস্থায় নিরাপদ সহবাস করতে কনডম ব্যবহার করবেন।

প্রশ্ন: পরিক্ষা ছাড়া প্রেগন্যান্ট হলে কিভাবে বুঝবো?

উত্তর: পরিক্ষা ছাড়া প্রেগন্যান্ট হলে যেভাবে বুঝতে পারবেন তা হলো মাসিক বন্ধ হয়ে যাবে শরীরে বিভিন্ন রকম পরিবর্তন দেখা দিবে স্তনের পরিবর্তন দেখা দিবে আর এগুলো দেখা দিলে চিকিৎসক এর কাছে গিয়ে পরিক্ষা করাবেন তাহলে বুঝতে পারবেন।

প্রশ্ন: বাচ্চা হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি?

উত্তর: বাচ্চা হওয়ার বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে যেমন ক্লান্তি অনুভব করা, মাথা ঘুরা, বমি বমি ভাব, স্তন ব্যথা করা ইত্যাদি। 

প্রশ্ন: গর্ভবতী হওয়ার কত দিন পর্যন্ত সহবাস করা যায়? 

উত্তর: গর্ভবতী হওয়ার পরে যদি কোনো মহিলার প্রেগন্যান্সি সমস্যা না থাকে এবং সুস্থ স্বাভাবিক থাকে তাহলে গর্ভবতী হওয়ার পরে সন্তান প্রসবের আগ পর্যন্ত সহবাস করতে পারবে। আর কোনো সমস্যা থাকলে সহবাস করা যাবে না।

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ - গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা: শেষ কথা 

আজকের আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারলেন  গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের সতর্কতা গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয় প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কিনা গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসের ঔষধ গর্ভাবস্থায় শেষ ৩ মাসের সতর্কতা এই সকল বিষয়ে। 

আশা করছি এই সকল বিষয়ে জানতে পেরে আপনারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন। আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার পরে এই বিষয়ে যদি আরো কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। এবং এরকম আরো তথ্যমূলক বিষয়ে জানতে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট নিয়মিত ফলো করুন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন