গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা - গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম

আপনি কি গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা এবং গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা সহ এই সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা গুলো কি কি সে সম্পর্কে।
গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম গর্ভাবস্থায় কতদিন সহবাস করা যায় গর্ভাবস্থায় বীর্য ভিতরে ফেললে কি হয় এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে সেজন্য পুরো আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

পেজ সূচিপত্রঃ গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা - (যে অংশ পড়তে চান তার উপর ক্লিক করুন) 

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা 

একজন নারী গর্ভধারণ করার পরে সহবাস করা নিয়ে বিভিন্ন রকম দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকেন। আসলে বুঝতে পারেন না গর্ভাবস্থায় সহবাস করা যাবে কিনা। এবং গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে কোন ক্ষতি হতে পারে কিনা। গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে পারেন এতে করে কোন ক্ষতি হবে না বরং গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা রয়েছে। সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা পাওয়া যাবে সেগুলো উপকারিতা হলো।

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার উপকারিতা

  • ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  • দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে
  • মূত্রের লিকেজ কমায় মূত্রথলি ভালো রাখে
  • প্রসব শ্রম কম হয়
  • ভালো অর্গাজম এবং ভালো তৃপ্তি হয়
  • পেলভিক ফ্লোর পেশী শক্তিশালী করে
  • শরীর এবং মন ভালো রাখে
  • আত্ম মর্যাদার উন্নতি ঘটায়
  • দাম্পত্য জীবনে বন্ধনের উন্নতি ঘটায়
  • মানসিক চাপ কমায়
  • উচ্চ রক্তচাপ কমায়

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে - যেসব মহিলাদের ব্লাড প্রেসার বেশি গর্ভাবস্থায় তাদের জন্য সহবাস করা অনেক উপকারী। কারণ গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এতে করে মা এবং শিশু দুজনের জন্যই ভালো। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে - গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিভিন্ন রকম রোগ এবং বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেয় গর্ভবতী মায়ের। আর এই সকল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা অনেক উপকারী। তাই গর্ভাবস্থায় নিয়মিত সহবাস করবেন।

আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন সহবাস করলে কি হয় - দীর্ঘদিন সহবাস না করার ১০ টি ক্ষতি

দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে - গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী নারীদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো অনেক সময় হয়ে থাকে না। আর এই দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা অনেক উপকারী। সেজন্য নিয়ম মেনে গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে পারেন।

মূত্রের লিকেজ কমায় মূত্রথলি ভালো রাখে - গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতার ভেতরে আরেকটি উপকারিতা হলো গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে মূত্রের লিকেজ কমায় মূত্রথলি ভালো রাখে। যা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই উপকারী। 

প্রসব শ্রম কম হয় - গর্ভাবস্থায় যদি নিয়মিত সহবাস করা হয় তাহলে সন্তান প্রসবের সময় পরিশ্রম বা কষ্ট অনেক কম হয়ে থাকে। সেজন্য অনেক সময় ডাক্তাররা গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে বলে থাকেন। সেজন্য এই উপকারিতা পেতে গর্ভাবস্থায় সহবাস করবেন। 

ভালো অর্গাজম এবং ভালো তৃপ্তি হয় - গর্ভাবস্থায় আরো ভালো অর্গাজম হতে এবং আরো ভালো তৃপ্তি পেতে সহবাস করা অনেক প্রয়োজনীয়। গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে অর্গাজম অনেক ভালো হয় এবং গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে তৃপ্তি অনেক বেশি পাওয়া যায়। সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম মেনে সহবাস করবেন।  

পেলভিক ফ্লোর পেশী শক্তিশালী করে - গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতার ভেতর আরো একটি উপকারিতা হলো গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে পেলভিক ফ্লোর পেশী শক্তিশালী করে। যা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং প্রয়োজনীয়। সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম মেনে সহবাস করবেন। 

শরীর এবং মন ভালো রাখে - গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে এতে করে শরীর ভালো থাকে এবং মন অনেক ভালো থাকে। সেজন্য শরীর মন ভালো রাখতে চাইলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম মেনে সহবাস করতে হবে। আর শরীর এবং মন যত ভালো থাকবে সেটা সন্তান এর জন্য অনেক উপকারী হবে। 

আত্ম মর্যাদার উন্নতি ঘটায় - গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতার ভেতর আরেকটি সেরা উপকারিতা হলো আত্মমর্যাদার উন্নতি ঘটায়। গর্ভাবস্থায় সকল মহিলাদের আত্মমর্যাদার উন্নতি ঘটার প্রয়োজন। এতে করে সন্তান প্রসবের সময় অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায় এবং সন্তান প্রসব সহজ হয়ে থাকে। সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম মেনে সহবাস করতে হবে। 

দাম্পত্য জীবনে বন্ধনের উন্নতি ঘটায় - একজন বিবাহিত নারী এবং পুরুষের ক্ষেত্রে দাম্পত্য জীবনের বন্ধনের উন্নতি ঘটানো প্রয়োজন। এতে করে দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়া যায়। আর এই দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে চাইলে এবং দাম্পত্য জীবনের বন্ধনের উন্নতি ঘটাতে চাইলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ মিলনের সময় নারীর করণীয় - মিলনের পর করণীয়

মানসিক চাপ কমায় - অনেক মহিলা রয়েছে যারা গর্ভাবস্থায় অনেক মানসিক চাপের মধ্যে থাকে যা একজন গর্ভবতী মা এবং শিশু দুজনের জন্যই ক্ষতির কারণ হতে পারে। সেজন্য মানসিক চাপ কমাতে চাইলে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত নিয়ম মেনে সহবাস করুন তাহলে মানসিক চাপ অনেকটা কমে যাবে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায় - গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। আর এই উচ্চ রক্তচাপ একজন গর্ভবতী নারীর জন্য অনেক ভয়াবহ হতে পারে। তাই কারো যদি উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা দেখা দেয় বা মনে করেন যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে তাহলে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সহবাস করা প্রয়োজন। আশা করছি গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা জানতে পারলেন। 

গর্ভাবস্থায় কতদিন সহবাস করা যায় 

গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিয়ে অনেকের ভিতরে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকে। অনেকে মনে করে থাকেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা যাবে না। আবার অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন গর্ভাবস্থায় কতদিন সহবাস করা যায়? দেখেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা কত দিন যাবে এটা আপনার শারীরিক অবস্থা কতটা ভালো তার উপর নির্ভর করে। আপনার যদি সুস্থ এবং শারীরিক অবস্থা অনেক ভালো থাকে তাহলে সন্তান প্রসবের আগ পর্যন্ত সহবাস করতে পারবেন। 

তবে কোন মহিলা যদি গর্ভধারণ করে তাহলে গর্ভধারণের সময় থেকে প্রথম তিন মাস সহবাস না করাই ভালো। কারণ এই সময় বাচ্চা কেবল তৈরি হতে থাকে। তাই গর্ভধারণের প্রথম থেকে তিন মাস পর্যন্ত সহবাস করা বিরত রাখবেন। এবং তিন মাস পরে অর্থাৎ চতুর্থ মাস থেকে বাচ্চা প্রসবের আগে পর্যন্ত সহবাস করতে পারবেন যদি আপনার সঙ্গী সুস্থ থাকে। 

গুগল নিউজে আমাদের ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপরে ফলো করুন

তবে গর্ভাবস্থায় সহবাস করার সময় একটা দিকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে গর্ভবতী মহিলার পেটে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। এতে করে সন্তান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি নিরাপদ ভাবে গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে পারেন এতে কোনরকম সমস্যা নেই। তবে গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস এবং শেষ তিন মাস সহবাস না করাই ভালো।  

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামী বিশেষ কোনো নিয়ম নেই। এমনিতেই সাধারণভাবে যেভাবে সহবাস করা হয় গর্ভাবস্থায় ওভাবে সহবাস করতে পারবেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন তোমাদের স্ত্রী তোমাদের ফসল অতএব তোমারা তোমাদের শস্য খেতে যেভাবে খুশি চলাফেরা করতে পারো। তাহলে এর থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পারলেন যে কোন সময় একজন স্বামী স্ত্রী সহবাস করতে পারবে। 

আর গর্ভাবস্থায় স্বামী স্ত্রী সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম হল সহবাস করার আগে ওযু করে পাক পবিত্র হয়ে নেওয়া এবং তারপরে সহবাস করা। এছাড়াও ইসলামিক ভাবে সহবাস করতে গেলে আগে কিছু দোয়া এবং কালেমা পড়ে নিতে হবে এতে করে সহবাস অনেক আনন্দের হবে এবং সহবাসের সময় অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। সেজন্য গর্ভাবস্থায় এই সকল ইসলামী আমল মেনে সহবাস করবেন। আশা করছি গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেলেন। 

গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের সতর্কতা

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম সম্পর্কে জানলেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি জানা প্রয়োজন গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের সতর্কতা সম্পর্কে। কারণে সময় অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হয় এবং সতর্কতা না মেনে চললে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস যেগুলো সর্তকতা মেনে চলবেন সেগুলো হলো।

  • অ্যালকোহল মাদক বা নেশা জাতীয় কোন কিছু সেবন করা যাবেনা।
  • বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে
  • নিয়মিত শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করতে হবে
  • এ সময় ঠিকমতো ঘুমাতে হবে এবং রেস্ট নিতে হবে
  • সকল ধরনের ঔষধ খাওয়া যাবে না সেই দিকে সতর্ক থাকতে হবে
  • দিলে ঢালা পোশাক পরতে হবে অতিরিক্ত টাইট পোশাক পড়া যাবে না এবং সুতির পোশাক পরিধান করতে হবে।
  • বাথরুম যেন ভেজা এবং পিচ্ছিল না হয়ে থাকে সেদিকে সতর্ক হতে হবে।
  • একজন গর্ভবতী মহিলা যে রুমে থাকবে সে রুমে যাতে করে পর্যাপ্ত আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেওয়া যাবে না। টেনশন মুক্ত থাকতে হবে।
গর্ভাবস্থায় এই সকল সতর্কতা এবং নিয়ম নীতি মেনে চললে গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য অনেকটা উপকারী হবে। আর এতে করে গর্ভবতী মায়ের কোন খারাপ ঝুঁকি থাকবে না। তাই এইগুলো সতর্কতা মেনে চলবেন এবং নিয়মগুলো মেনে চলবেন গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস।  

গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কি

গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কি? না গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে না। গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস করা একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কখনোই গর্ভধারণ করার পরে প্রথম তিন মাস সহবাস করবেন না। 

গর্ভধারণের তিন মাস পরে থেকে সহবাস করতে পারেন এতে করে কোন রকমের সমস্যা নেই। আর গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস এবং শেষ তিন মাস সহবাস না করাই উত্তম। তবে আপনি চাইলে শেষ তিন মাস সহবাস করতে পারেন কিন্তু প্রথম তিন মাস কখনোই করা যাবে না। এতে করে গর্ভে যে সন্তান তৈরি হচ্ছে তার সমস্যা হতে পারে। 

গর্ভাবস্থায় বীর্য ভিতরে ফেললে কি হয়

গর্ভাবস্থায় সহবাস করা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস না করাই ভালো তারপরেও গর্ভাবস্থায় সহবাস করতে পারেন এতে করে কোন সমস্যা হবে না কিন্তু গর্ভাবস্থায় সহবাস করে বীর্য ভিতরের না ফেলায় ভালো কারণ আপনার যৌনাঙ্গে বা বীর্যে যদি কোন রকম জীবাণু থাকে তাহলে এটা গর্ভের সন্তানের ক্ষতি করবে।  

আর যেহেতু একজন মহিলা গর্ভধারণ করলে গর্ভে সন্তান থাকে সেজন্য ওই সময় সহবাস করে বীর্য ভিতরে না ফেলায় ভালো এতে করে সন্তান সন্তান অনেক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তাই একজন বাবা হিসেবে সুস্থ সন্তান এবং কোন ধরনের সমস্যা যাতে না হয় এগুলো আপনাকেই দেখতে হবে। 

সেজন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করলেও ভুল করেও বীর্য ভিতরে ফেলবেন না সেজন্য অনেক সাবধানতার সাথে সহবাস করবেন অথবা প্রটেকশন যেমন কনডম ব্যবহার করতে পারেন। আশা করছি আজকের আর্টিকেল থেকে গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা ও গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম সহ সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। 

লেখকের শেষ কথা  

গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ১২ টি উপকারিতা গর্ভাবস্থায় সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের সতর্কতা গর্ভাবস্থায় কতদিন সহবাস করা যায় গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস সহবাস করা যাবে কি গর্ভাবস্থায় বীর্য ভিতরে ফেললে কি হয় এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হয়েছে আশা করছি আপনারা এই সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। 

তারপরে যদি আপনাদের এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পড়তে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন