ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

বর্তমানে অনেকেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চাই। অনলাইনে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় যেমন ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা আয় করা যায়। তাই আজকে আমরা জানবো ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায়। আপনি যদি ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।
ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায়

বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে আপনি বেশ কিছু উপায়ে আয় করতে পারবেন। তবে অনলাইন থেকে আয় করার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমাণ পরিশ্রম করতে হবে। চলুন আজকের আর্টিকেল থেকে জেনে নেওয়া যাক ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় : ভূমিকা 

আমরা বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করে থাকি বিভিন্ন রকম ভিডিও দেখার জন্য। কিন্তু আপনি চাইলে ভিডিও দেখার পাশাপাশি ইউটিউবে কাজ করে সেখান থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন। 

আরো পড়ুনঃ অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ ৮ টি উপায়

কিন্তু আপনাকে প্রথমে জানতে হবে ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় এবং সেই উপায় গুলো অবলম্বন করে যদি পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন। চলুন নিচের অংশগুলো থেকে ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় জেনে নেওয়া যাক। 

ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় : ১ থেকে ৫ টি 

অনেকে হয়তো প্রথম প্রথম মনে করেন অনলাইন থেকে টাকা আয় করা অনেক সহজ কিন্তু না অনলাইন থেকে টাকা করা একটি ধৈর্য এবং পরিশ্রমের কাজ। তবে আপনি যদি এখানে মনোযোগ সহকারে এবং ধৈর্য সহকারে কাজ করতে পারেন তাহলে একসময় ভালো পরিমান টাকা আয় করতে পারবেন। তাহলে শুরু করা যাক ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় সম্পর্কে আলোচনা। 

১। মনিটাইজেশন করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয়

ইউটিউব থেকে আয় করার সর্বপ্রথম এবং সবার সেরা উপায় হল ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে টাকা আয় করা। মনিটাইজেশন করার জন্য আপনাকে নিয়মিত ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং এক হাজার সাবস্ক্রাইব প্রয়োজন হবে সেই সাথে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম প্রয়োজন হবে। এবং আপনার চ্যানেলে কোনরকম ইস্যু থাকা যাবে না তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করতে পারবেন এবং ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।  

২। কোর্স বা সার্ভিস বিক্রি করে আয় 

আপনার যদি কোন সার্ভিসের কাজ থাকে তাহলে সেটা আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে প্রচার করতে পারবেন এবং ইউটিউবের মাধ্যমে আপনি আপনার সার্ভিসের গ্রাহক খুঁজে পেতে পারেন। আর তাদের কাছে আপনার সার্ভিসটি অথবা যেকোনো কোর্স বিক্রয় করে খুব ভালো পরিমান টাকা আয় করতে পারবেন। 

৩। বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয়

আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেই ইউটিউব চ্যানেলে যদি বেশি পরিমাণ সাবস্ক্রাইব থাকে তাহলে সেখান থেকে আপনি আপনার বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারবেন। যেমন যদি আপনার কোন দোকান থাকে তাহলে সেই দোকানে থাকা প্রোডাক্ট নিয়ে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করবেন এবং কেউ যদি আপনার কাছে থেকে সেগুলো প্রোডাক্ট কিনতে চাই তাহলে তাদের কাছে সেল করবেন। এভাবে আপনি ইউটিউব থেকে বা ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন। 

৪। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

ইউটিউব থেকে আয় করার সবচেয়ে সেরা একটি উপায় হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইউটিউবার তাদের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে এবং সেখান থেকে ভালো পরিমান টাকা আয় করে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট এর ভিডিও তৈরি করে সেটা যদি সেল করে দিতে পারেন তাহলে সেই প্রোডাক্ট এর থেকে আপনাকে কিছু পরিমাণ কমিশন দেওয়া হবে। আর এভাবেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে খুব ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন ইউটিউব থেকে। 

৫। স্পন্সর অ্যাডের মাধ্যমে ইউটিউব থেকে টাকা আয় 

আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেখানে যদি ভালো পরিমাণ সাবস্ক্রাইবার থাকে তাহলে বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে তাদের কোম্পানির প্রচারের জন্য স্পন্সর অ্যাডের অফার করবে। আর আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের কোম্পানির প্রচারের জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে স্পন্সর অ্যাড দিতে পারেন তাহলে তারা আপনাকে ভালো পরিমাণ অর্থ দিবে। এভাবেই আপনি ইউটিউব থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। 

ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় : ৬ থেকে ১১ টি  

৬। কনটেন্ট রাইটিং করে আয়

আপনার যদি হেলথ রিলেটেড অথবা টেক রিলেটেড কোনো ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যালেনের জন্য তৈরি করা ভিডিও একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে কনটেন্ট রাইটিং করে আর্টিকেলের ভিতর ভিডিও টি বসিয়ে দিতে পারেন। এবং সেই পোস্টের লিংক আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সেই রিলিটেল ভিডিওর ক্যাপশনে দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে আপনার ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব ট্যানেলের ইনকাম বৃদ্ধি পাবে।

৭। ভিডিও এডিটিং করে আয়

আপনি যদি ভিডিও এডিটিং পারেন। এবং আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে সেই চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির বা গ্রাহকের ভিডিও এডিটিং করে দেওয়ার কাজ পেতে পারেন। আপনার চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচার করতে হবে আপনি বা আপনার এডিটর টিম রয়েছে তাহলে এইভাবে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন। 

৮। ইউটিউব প্রিমিয়াম সাইন আপ করে আয়

আপনার ইউটিউব চ্যানেলে যদি একবার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় শুরু করতে পারেন তাহলে আপনি ইউটিউব প্রিমিয়াম সাইন আপ করতে পারবেন। আর আপনার চ্যানেলের নিয়মিত দর্শকরা ইউটিউব প্রিমিয়ামের মাধ্যমে কোনো রকম বিজ্ঞাপন ছাড়া ভিডিও দেখতে পারবে এর জন্য তাদের অর্থ প্রদান করতে হবে। আর এটার মাধ্যমে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে কোন গেম খেলে টাকা আয় করা যায় বিস্তারিত জানুন

৯। ভিডিও লাইসেন্সিং করে আয়

ভিডিও লাইসেন্সিং করে আয় হলো। মনে করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও প্রচুর পরিমাণে ভাইরাল হয়। তাহলে আপনার চ্যানেলের ভিডিও গুলো স্ট্রিম করার জন্য অনেক মিডিয়া আপনাকে টাকা দিবে। সেই টাকা নিয়ে আপনি তাদের শুধুমাত্র নিদিষ্ট ভিডিওটি স্ট্রিম করতে দিবেন। আর এখাবেই ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

১০। ইউটিউবের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন। এবং আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি সেখান থেকেও বায়ার পেতে পারেন। আবার আপনার একটা বড় চ্যানেল থাকলে বায়াররা আপনার ওপর আস্থা রাখতে পারবে। এতে করে আপনি প্রচুর ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাবেন এবং সেগুলো কাজ করে দেওয়ার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

১১। ইউটিউব চ্যানেল বিক্রি করে আয়

আপনার যদি কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেগুলোতে যদি আপনি মনিটাইজেশন অন করতে পারেন তাহলে সেই চ্যানেলগুলো সেল করার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। এভাবে আপনি প্রতিনিয়ত চ্যানেল তৈরি করে সেগুলোর মনিটাইজেশন অন করে বিক্রি করলে অনেক ভালো টাকা আয় হবে। তবে এই কাজটি এতটা সহজ নয় আপনার যদি একটি ইউটিউবে বড় চ্যানেল থাকে এবং মানুষের মাঝে ভালোভাবে পরিচিত হতে পারেন তাহলে এটা আপনার কাছে অনেক সহজ হবে। তাই প্রথমে বেশি বেশি পরিশ্রম করুন তাহলে এভাবে ইউটিউব এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয় কি হালাল

ইউটিউব থেকে আয় করা নিয়ে অনেকের ভিতরে অনেক রকম মন্তব্য রয়েছে। অনেকে বলে থাকেন ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা হারাম আবার অনেকে বলে থাকেন হালাল। তবে আপনাদেরকে এখন একটা সঠিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব যে ইউটিউব থেকে আয় কি হালাল না হারাম। 

মনে করেন আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে এবং সেখানে বিভিন্ন রকম ভিডিও আপলোড করেন এবং সেই ভিডিও গুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম এড শো করে। আরে এড গুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম এড রয়েছে কিছু অ্যাড ভালো আবার কিছু অ্যাড খারাপ। তাই এর থেকে আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে খারাপ অ্যাড দেখাই তাহলে সেটা অবশ্যই হারাম হবে। 

কিন্তু গুগল এডসেন্সের মধ্যে একটি সিস্টেম রয়েছে সেটার মাধ্যমে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের খারাপ অ্যাড গুলো বন্ধ করে দিতে পারেন এবং ভালো অ্যাড গুলো চালু রাখতে পারেন আর এভাবে যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্সের মাধ্যমে অ্যাড পরিচালনা করেন তাহলে অবশ্যই সেটা হালাল হবে। তাই বলা যায় ইউটিউব থেকে আয় হালাল হারাম সবকিছু আপনার হাতে। আপনি যেভাবে করবেন সেভাবেই হবে। 

ইউটিউব থেকে টাকা তোলার উপায়

এবার আমরা জানবো ইউটিউব থেকে টাকা তোলার উপায়। আপনি যদি শুধুমাত্র ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে যান তাহলে টাকা তুলতে পারবেন না। ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করার পাশাপাশি আপনাদের জানতে হবে ইউটিউব থেকে টাকা তোলার উপায়। আর এই উপায় আপনাকে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের টাকা তুলতে হবে। ইউটিউব থেকে টাকা তোলার জন্য আপনার একটি গুগল এডসেন্স একাউন্টের প্রয়োজন হবে এবং একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হবে। জেনে নিন কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলবেন।

  • আপনার ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন হওয়ার পরে গুগল এডসেন্স একাউন্টে চ্যানেলটি অ্যাড করতে হবে। এবং আপনার এডসেন্স একাউন্টে যখন ১০ ডলার হয়ে যাবে তখন আপনাকে গুগল থেকে একটি চিঠি পাঠানো হবে।
  • সেই চিঠির মধ্যে পিন কোড থাকবে যেটার মাধ্যমে আপনার এডসেন্স একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। গুগলের সেই চিঠিটি আপনার হাতে আসবে সেই পিন কোড দিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন।
  • এবার আপনাকে আপনার এডসেন্স একাউন্টে একটি ব্যাংক একাউন্ট এড করতে হবে। যেটার মাধ্যমে আপনাকে পেমেন্ট দেওয়া হবে।
  • সবশেষে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও থেকে যখন ১০০ ডলার আয় হবে তখন গুগল এডসেন্স একাউন্ট থেকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অটোমেটিক্যালি টাকা চলে আসবে।
  • এবার আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কার্ড নিয়ে আপনার নিকটস্থ একটি ব্যাংকে যেটা ইউটিউবের টাকা সাপোর্ট করে সেই ব্যাংকে গিয়ে সেখান থেকে টাকা তুলে নিতে পারবেন। 

১ ভিউ কত টাকা

অনেকে জানতে চেয়ে থাকবেন ইউটিউবের ১ ভিউ কত টাকা আসলে ইউটিউব ১ ভিউ এর জন্য কোন উপকার টাকা দিয়ে থাকে না। তবে যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে ১ হাজার ভিউ হয় তাহলে সেই হিসেবে ইউটিউব আপনাকে টাকা দিবে। 

তবে ইউটিউব চ্যানেলে ১ হাজার ভিউয়ের জন্য সবসময় একই পরিমাণ টাকা দিয়ে থাকে না তাই একেবারে সঠিকভাবে কখনো বলা সম্ভব নয়। তবে একটা ধারণা থেকে বলা যায় প্রতি ১ হাজার ভিউয়ের জন্য ইউটিউব ১ ডলার থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। 

আরো পড়ুনঃ মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করার ২৫ টি সেরা উপায় 

এটা বেশিরভাগ বাংলা চ্যানেলের জন্য হয়ে থাকে। ইংলিশ চ্যানেলে বাংলা চ্যানেলের থেকে বেশি পরিমাণ টাকা দিয়ে থাকে। তাই আপনার যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে একটি ইংরেজি চ্যানেল তৈরি করে ভিডিও আপলোড করতে পারেন তাহলে ভালো পরিমান টাকা আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব শর্টস থেকে ইনকাম

বর্তমানে তাদের বিভিন্ন রকম ফিচার আপডেট করেছে তার মধ্যে একটি হলো ইউটিউব শর্টস। এখন ইউটিউব শর্টস এর মাধ্যমেও টাকা আয় করা যায়। ইউটিউব শর্টস হলো ইউটিউব চ্যানেল ছোট ছোট যেগুলো এক মিনিটের মধ্যে ভিডিও রয়েছে সেগুলো আপলোড করার মাধ্যমে আপনার চ্যানেল মনিটাইজেশন করতে পারেন সেই শর্টস ভিডিওর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। 

ইউটিউব শর্টস ভিডিও দিয়ে মনিটাইজেশন করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ৫০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৯০ দিনের মধ্যে তিন মিলিয়ন ভিডিও ভিউ প্রয়োজন হবে। এগুলো শর্ত যদি পূরণ করতে পারেন তাহলে ইউটিউব শর্টস থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

আমাদের শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি সেরা উপায় ও ইউটিউব থেকে টাকা তোলার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন। আশা করছি আপনি যদি এই সকল উপায় ফলো করে ইউটিউব চ্যানেলে কাজ করতে পারেন তাহলে এক সময় ইউটিউব থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। 

ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে এবং ধৈর্য ধরে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। তাহলে ইনশাআল্লাহ ইউটিউবে আপনি সফল হতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার পরে আপনার যদি এই বিষয়ে আরো কোন কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন এবং এরকম আরো বিভিন্ন বিষয় জানতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ফলো করতে পারেন। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন