হজের ফরজ কয়টি - হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি

আসসালামু আলাইকুম ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হলো হজ। সেজন্য আজকে আপনাদের হজের ফরজ কয়টি এবং হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি এই সকল বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। হজ করার আগে হজের ফরজ কয়টি এবং হওয়ার সম্পর্কে সকল তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন। তাহলে চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক হজের ফরজ কয়টি ও কি কি এই বিষয়ে।
হজের ফরজ কয়টি

হজের ফরজ কয়টি হজের নিয়ম হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি এবং হজ সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে তাই আপনি যদি সকল বিষয়ে জানতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন। 

পেজ সূচিপত্রঃ হজের ফরজ কয়টি - হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি

হজের ফরজ কয়টি 

অনেকে হজ করতে চাই কিন্তু হজের ফরজ কয়টি এবং হজ সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে অজানা। হজ সম্পর্কিত বিষয় যদি না জানেন তাহলে কিভাবে হজ পালন করবেন। তাই আগে থেকে হজের ফরজ কয়টি হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি এগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন। হজের ফরজ ৩ টি হজের এই তিনটি ফরজের নাম কি কি সেগুলো জেনে নিন।

1. ইহরাম বাঁধা: হজ এবং ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে যখন গমন করা হয় তখন মিকাত অতিক্রম করার আগে সবাইকে ইহরামের কাপড় পড়তে হয়। ইহরামের কাপড় না পড়ে মিকাত। অতিক্রম করা জায়েজ হবে না।সেজন্য ইহরাম বাঁধা হজের একটি ফরজ কাজ। এটা অবশ্যই পালন করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ যাকাত কাকে বলে - বর্তমানে কত টাকা থাকলে যাকাত ফরজ হয়

2. উকুফে আরাফা অথবা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা: আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা হজের একটি ফরজ। জিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে শুরু করে ১০ তারিখ এর যে কোনো সময় যদি আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করেন তাহলে ফরজ পালন করা হবে।আর এই ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে।

3. তাওয়াফুয জিয়ারাত: এটি হজের শেষ ফরজ। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করার পরে সেখান থেকে কাবা শরীফে তাওয়াফ করাকে তাওয়াফুয জিয়ারাত বলা হয়। এখানে যেগুলো হজের ফরজ কাজের কথা বলা হলো তার মধ্যে যদি একটা মিস করেন তাহলে হজ কবুল হবে না। সেজন্য এগুলো ফরজ পালন করবেন অবশ্যই। আশা করি হজের ফরজ কয়টি জানতে পারলেন।

হজের নিয়ম

হজ পালনের জন্য কিছু নিয়ম রয়েছে সেগুলো নিয়ম পালন করার মাধ্যমে হজ সম্পূর্ণ করতে হয়।হজের এই সকল নিয়মের মধ্যে যদি কোন টা বাদ দেন তাহলে হজ কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। সেজন্য হজে গমন করে কখন কোন কাজগুলো পালন করলে হজ কবুল হতে পারে সেগুলো কাজ এবং নিয়ম জেনে নিন।

হজের কার্যক্রম মূলত ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত পালন করা হয়ে থাকে। এই কয়েকদিনের কাজগুলো বিস্তারিত ভাবে বলা হলো।

৮ জিলহজ হজের ইহরাম বেঁধে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাওয়া। এবং জোহরের আগে মিনায় পৌঁছে যাওয়া।  মিনায় ৮ থেকে ৯ জিলহজ্জ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা। ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে গিয়ে অবস্থান করা। 

সন্ধ্যাবেলায় মাগরিবের নামাজ আদায় করার পরে এবং মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানে রওয়ানা হওয়ার সময় এই তাকবির টি বলা প্রয়োজন, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ। হজের ময়দানে অর্থাৎ আরাফাতের ময়দানে পৌঁছানোর পরে হজের খুতবা শুনতে হবে।এবং যার যেখানে তাঁবু রয়েছে সেখানে নামাজ আদায় করতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফরজ কয়টি - নামাজের ১৩ ফরজ কি কি

সন্ধ্যাবেলায় মাগরিবের নামাজ আদায় করার পরে মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে এবং সেখানে গিয়ে এশার নামাজ আদায় করতে হবে। তারপর ১০ জিলহজ সারা রাত খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে হবে।এবং সেখানে ফজর নামাজ আদায় করার পর যখন সূর্য উঠে যাবে তার আগেই আবারো মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে।

তারপরে শয়তানকে পাথর মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করতে হবে।  তারপরে মিনায় এসে যোহরের আগে শয়তান কে উদ্দেশ্য করে ৭ টি পাথর নিক্ষেপ করতে হবে। এবং পাথর নিক্ষেপ করার আগে ভালো করে দিকনির্দেশনা জেনে নিতে হবে এবং পাথর মারার কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। 

তার পরবর্তী হজের কাজ হল কোরবানি করা এবং কোরবানি পালন করার পরে মাথা ন্যাড়া করতে হবে। এগুলো পালন করা হয়ে গেলে তাওয়াফ জিয়ারত করতে হবে হজ শেষ করার আগে এই তাওয়াফ জিয়ারত অবশ্যই করতে হবে এবং শেষে দোয়া হবে সেই দোয়াতে সামিল হতে হবে। এবং এইগুলা নিয়ম নীতি সকল কাজ সম্পূর্ণ করার পরে হজ শেষ হয়ে যাবে। 

হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি

হজের ফরজ কয়টি জানতে পেরেছেন কিন্তু আপনি কি জানেন হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি যদি হজ ফরজ হওয়ার শর্তগুলো আপনি না মানতে পারেন তাহলে আপনার হজ ফরজ হবে না এবং কবুল হবে না। তাই হজ করার আগে অবশ্যই হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে। হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি জেনে নিন।

গুগল নিউজে আমাদের ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপরে ফলো করুন 

হজ ফরজ হওয়ার শর্ত গুলো হলো খাঁটি মুসলমান হওয়া, জ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে, স্বাধীন হতে হবে, প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে, হজের নির্ধারিত সময়ে হজ পালন করতে হবে, অর্থের দিক দিয়ে হজ পালনের সামর্থ্য থাকতে হবে। এগুলো সকল কিছু যদি পালন করার মত সামর্থ্য থাকে তাহলে আপনার জন্য হজ করা ফরজ হবে। আশা করছি হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি জানতে পারলেন। 

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ

ইহরাম বলতে হজ পালনের জন্য যখন সেলাই বিহিন সাদা কাপড় পরিধান করা হয় তখন সেটাকে ইহরাম বলা হয় আর এই ইহরাম অবস্থায় কিছু নিষিদ্ধ কাজ রয়েছে যেগুলো করা যাবে না তাহলে হজ পালন হবে না এবং পাপ হবে ইহরাম অবস্থায় যেগুলো কাজ নিষিদ্ধ সেগুলো হলো। 

  • ইহরাম অবস্থায় শরীরে আতর বা সুগন্ধি লাগানো যাবে না।
  • পুরুষ মানুষরা ইহরামের কাপড় ছাড়া কোন সেলাই দেওয়া পোশাক পরিধান করতে পারবে না। 
  • নখ কাটা নিষিদ্ধ। 
  • ইহরাম অবস্থায় চুল কাটা চুল আচরানো বা শরীরে পশম তোলা নিষিদ্ধ। 
  • সাথে স্ত্রী থাকলে সহবাস করা এবং সহবাস সম্পর্কিত কোনো আলোচনা করা নিষিদ্ধ। 
  • মেয়েদের মাথা ঢেকে রাখতে হবে।
  • কোনো মানুষ কে কথা দিয়ে বা কাজ দিয়ে কষ্ট বা আঘাত দেওয়া যাবে না। 
  • কোনো কিছু শিকার করা একেবারে নিষিদ্ধ। 
  • কারো সাথে ঝগড়া বিবাদ বা মারামারি করা যাবে না।
  • কারো সাথে মিথ্যা কথা বলা যাবে না এটা সবচেয়ে বড় নিষিদ্ধ কাজ।

হজ্জের ফরজ ও ওয়াজিব কয়টি

হজের ফরজ কয়টি তা জানতে পেরেছেন ওপরের অংশে তাই এবার হজের ওয়াজিব সম্পর্কে জেনে নিন। হজের ওয়াজিব হলো ৬ টি। হজের এই ৬ টি ওয়াজিব অবশ্যই পালন করা প্রয়োজন। হজের ৬ টি ওয়াজিব কাজ গুলো হলো।

১. ৯ জিলহজ সূর্যাস্ত এর পর থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত মুজদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব।

২. সাফা এবং মারোয়া সাইয় করা অর্থাৎ  যাওয়া আসা করা ওয়াজিব।

৩. মিনায় অবস্থান কালে শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা অর্থাৎ পাথর নিক্ষেপ করা ওয়াজিব।

আরো পড়ুনঃ আরবি মাসের নাম - আরবি ১২ মাসের নাম ও আমল

৪. ইহরাম খোলার আগে মাথা মুণ্ডন করা অর্থাৎ মাথা ন্যাড়া করা ওয়াজিব এটা শুধুমাত্র পুরুষের জন্য আর মেয়েদের জন্য হালকা কিছু অংশ কাটতে হবে।

৫. যারা মিকাতের বাহিরে অবস্থান করে তাদের জন্য বিদায়ী তাওয়াফ করা হজের ওয়াজিব। 

৬. হজের ওয়াজিব কাজ হলো কুরবানি করা। তবে এটা কিছু জনের ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয়।

মহিলাদের হজ্জ করার শর্ত

পুরুষদের হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি সেগুলো জানতে পেরেছেন কিন্তু মহিলাদের হজ্জ করার শর্ত রয়েছে শর্ত গুলো হলো। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া, জ্ঞান সম্পন্ন হতে হবে, সুস্থ এবং সবল থাকতে হবে, স্বাধীন হতে হবে কারো উপর ঋণী থাকা যাবে না স্বামী ছাড়া অন্য কারো অধীনে থাকলে তার জন্য হজ ফরজ হবে না। হজের সকল খরচ বহনের সক্ষমতা থাকতে হবে। তবে অনেক সময় মহিলাদের আর্থিক দিক দিয়ে হজ করার সক্ষমতা থাকলেও হজ ফরজ হয় না। 

হজের সুন্নত কয়টি

হজের অনেকগুলো সুন্নত রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সুন্নত গুলো হলো। 

  • ইহরামের আগে গোসল করা 
  • তালবিয়াহ পাঠ করা হজের সুন্নত
  • পুরুষদের জন্য সাদা রঙের ইহরাম এর কাপড় পরা সুন্নত
  • ৮ জিলহজ দিবাগত রাতে মিনায় অবস্থান নেওয়া হজের সুন্নত 
  • শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করার পরে দোয়া পাঠ করা হজের সুন্নত 
  • ইফরাদ ও কেরান হাজী দের তাওয়াফে কুদুম করা হজের সুন্নত 

কোনো কারণবশত যদি এই সকল সুন্নত এর ভেতর একটা ছুটে যায় তাহলে এর জন্য দম দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

হজের ওয়াজিব কাজ কয়টি

হজের ফরজ কয়টি এবং হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি তা জেনেছেন এবার জানা যাক হজের ওয়াজিব কাজ কয়টি? হজের ওয়াজিব কাজ ৯ টি। হজের ৯ টা ওয়াজিব কাজ গুলো হলো।

  1. মিকাত পার হওয়ায় পূর্বে ইহরাম বাধা হজের ওয়াজিব
  2. সাঈ করা হজের ওয়াজিব
  3. মুজদালিফাতে রাত্রি যাপন করা হজের ওয়াজিব 
  4. আারাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা হজের ওয়াজিব।
  5. কংকর নিক্ষেপ করা হজের ওয়াজিব  
  6. মুজদালিফা থেকে আসার পর মিনায় দুই রাত্রি যাপন করা হজের ওয়াজিব 
  7. চুল কাটা বা মাথা ন্যাড়া করা হজের ওয়াজিব 
  8. কোরবানি করা হজের ওয়াজিব। (এটা শুধুমাত্র কেরান এবং তামাত্তু হাজিদের করতে হবে।)
  9. বিদায়ী তাওয়াফ হজের ওয়াজিব 

ওমরা করলে কি হজ্জ ফরজ হয়

হজের মতোই করে ওমরাহ করা হয়ে থাকে এবং এই ওমরাহ নারী-পুরুষ উভয়েই পালন করতে পারে।তবে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন ওমরা করলে কি হজ্জ ফরজ হয় আসলে ওমরাহ নারী পুরুষ সকলেই করতে পারবে কিন্তু ওমরা করলে যে হজ ফরজ হয়ে যায় এরকম কোন বিধান পাওয়া যায়নি। তবে চাইলেও ওমরাহ করতে পারেন এতে করে সওয়াব পাওয়া যাবে। আর যাদের সামর্থ্য কম রয়েছে তারা ওমরাহ করতে পারেন। এবং ওমরাহ সম্পর্কে যদি আরো বিস্তারিতভাবে জানতে চান তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। 

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর। FAQS

প্রশ্ন: দম কাকে বলে?

উত্তর : হজের মধ্যে যদি কোনো ওয়াজিব কাজ ছুটে যায় সেটার জন্য যে পশু জবেহ করে গরীব মিসকিনদের মাঝে দেওয়া হয় এবং সেটার মাধ্যমে ওয়াজিব আদায় করা হয় সেটাকেই দম বলে।

প্রশ্ন: ওমরা করলে কি হজ ফরজ হয়?

উত্তর : ওমরা করলে হজ ফরজ হয় এইরকম কোনো বিধান পাওয়া যায়নি।

প্রশ্ন: জীবনে কতবার হজ করা ফরজ? 

উত্তর : জীবনে একবার একজনের জন্য হজ করা ফরজ।

প্রশ্ন: উমরা করা কি ফরজ?

উত্তর : ওমরাহ করা ফরজ নয়। 

প্রশ্ন: হজ্জ ও উমরাহ এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর : হজ ও উমরাহ এর মধ্যে পার্থক্য হলো হজ একটি নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয় এবং উমরাহ করার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। শুধুমাত্র হজ্জের 5 দিন সময় ওমরাহ করা যাবে না।

প্রশ্ন: হজের ফরজ কয়টি?

উত্তর: হজের ফরজ তিনটি

প্রশ্ন: হজের ওয়াজিব কয়টি?

উত্তর: হজের ওয়াজিব ৯ টি 

হজের ফরজ কয়টি - হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টিঃ শেষ কথা 

হজের ফরজ কয়টি হজের নিয়ম হজ্জ ফরজ হওয়ার শর্ত কয়টি ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ হজ্জের ফরজ ও ওয়াজিব কয়টি মহিলাদের হজ্জ করার শর্ত হজের সুন্নত কয়টি হজের ওয়াজিব কাজ কয়টি ওমরা করলে কি হজ্জ ফরজ হয় এ সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি আপনারা এ সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। 

তারপরেও যদি এই সকল বিষয়ে আরো কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পড়তে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন