গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি - গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত

আপনারা কি গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি এবং গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আজকে আমরা আলোচনা করব গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পর্কে এবং এই সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়ে। তাহলে চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পর্কে। 

গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি

গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত গ্রামীণ ব্যাংকের লোন পদ্ধতি গ্রামীণ ব্যাংকের সুযোগ সুবিধা কি কি রয়েছে এ সকল বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন।

গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি

১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয় গ্রামীণ ব্যাংকের মূল কার্যাবলী হলো গ্রামীন ব্যাংক দরিদ্র মানুষদের ঋণ প্রদান করে থাকে। এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের আরো অনেক কার্যাবলী রয়েছে। চলুন আরো বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি গুলো সম্পর্কে। গ্রামীণ ব্যাংকের অনেক কার্যাবলী রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি কার্যাবলী নিচে দেওয়া হল।

১। অনেক সময় গ্রামের মানুষেরা ব্যাংকে গিয়ে সেবা নিতে অনেকটা অনিহা প্রকাশ করে থাকে সেজন্য গ্রামীণ ব্যাংক মানুষের একেবারে দরজায় গিয়ে তাদের সেবা পৌঁছে দিয়েছে। এতে করে মানুষ বাসায় বসেই গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধা ভোগ করতে পারছে।

২। গ্রামীণ ব্যাংকের আরেকটি কার্যাবলী হলো অসহায় দরিদ্র ভূমিহীন মানুষদের কোন প্রকার জামানত ছাড়া এবং কোন প্রকার সুদ ছাড়াই ঋণ প্রদান করে সাহায্য করে থাকে। এবং এসব ঋণের মেয়াদ পাঁচ বছর পর্যন্ত দিয়ে থাকে। 

৩। গ্রামের অসহায় দরিদ্র শিশুদের লেখাপড়ার জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের আরেকটি সেরা কার্যাবলী হলো গ্রামীণ ব্যাংক এসব দরিদ্র শিশুদের লেখাপড়ার জন্য স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। এতে করে দরিদ্র শিশুরা লেখাপড়া করতে পারছে। 

আরো পড়ুন: মানুষের কিডনির দাম কত - কিডনি বিক্রি হাসপাতাল বাংলাদেশ

৪। অনেক দরিদ্র পরিবারের সন্তান রয়েছে যারা শুধুমাত্র প্রাথমিক স্কুলের গণ্ডি পার করে টাকার অভাবে লেখাপড়া করতে পারে না কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক তাদের জন্য তারা যেন প্রাথমিক স্কুলের পরেও লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য উচ্চশিক্ষার লোন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় এটি একটি ভালো কার্যাবলী।

৫। গ্রামীণ ব্যাংকের আরেকটি কার্যাবলী হলো গ্রামের অনেক মানুষ রয়েছে যারা অনেক সময় বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ে কারণ তাদেরকে পরামর্শ দেওয়ার মতন তেমন কেউ থাকেনা কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক তাদেরকে সঠিক পরামর্শ প্রদান করে।

৬। গ্রামীণ দরিদ্র মানুষদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ৩৫ হাজার টাকা লোন দিয়ে থাকে। এতে করে অনেক দরিদ্র মানুষ উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে। আর গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য হলো গ্রামের দরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করা। 

গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত

গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত অনেকে জানতে চান আসলে গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন তেমন একটা প্রকাশ করা হয় না সেজন্য এটা জানা যায় না। তার পরেও আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন জায়গা ঘেঁটে জানতে পেরেছি একজন গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা। 

এবং গ্রামীণ ব্যাংকের কোন ম্যানেজারের যদি কাজের দক্ষতা ভালো থাকে এবং আরো অন্যান্য দক্ষতা ভালো থাকে তাহলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন হয়ে থাকে। তবে প্রথম দিকে এত বেশি বেতন হয় না যত সময় যাবে এবং যত দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন বেতন তত বৃদ্ধি পাবে। তাহলে আশা করছি ক্লিয়ার একটি ধারণা পেলেন গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত টাকা।

গ্রামীণ ব্যাংকের সুযোগ সুবিধা 

গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলী কি এবং গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত তা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছেন এবার আমরা জানবো গ্রামীণ ব্যাংকের সুযোগ সুবিধা গুলো সম্পর্কে। গ্রামীণ ব্যাংকের বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে সেগুলো হলো।

গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ সুবিধা: গ্রামীণ ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করেছে এতে করে অনেকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের জীবন মান আরো উন্নত করতে পারছে স্বাবলম্বী হতে পারছে। গ্রামীণ ব্যাংক এই লোন সুবিধা গ্রামের মানুষদের জন্য দিয়ে থাকে। 

গ্রামীণ ব্যাংক এর কিস্তি সুবিধা: গ্রামীণ ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার পরে কিস্তির মাধ্যমে অল্প অল্প টাকা করে সেই ঋণ গ্রাহকরা পরিশোধ করতে পারে। আর এটা গ্রাহকদের জন্য অনেক বড় একটি সুবিধা। এছাড়াও কিস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের আরো অনেক সুবিধা রয়েছে। 

সার্ভিস একাউন্ট: গ্রামীণ ব্যাংকের আরেকটি সেরা সুবিধা হল গ্রামীণ ব্যাংক গ্রাহকদের সার্ভিস একাউন্ট প্রদান করে থাকে এতে করে গ্রাহকরা এই একাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সঞ্চয় করে রাখার সুবিধা পাচ্ছে। যা গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং উপকারী।

গ্রামীণ ব্যাংকের সেতু ঋণ: সেতু ঋণ বলতে কোন গ্রাহক যদি তাদের সন্তানের উচ্চ শিক্ষার জন্য ঋণের আবেদন করে কিন্তু ঋণ না পেয়ে থাকে তাহলে গ্রামীণ ব্যাংক সেই গ্রাহকের আমানতের ভিত্তিতে ঋণ প্রদান করে থাকে। এবং ঋণ গ্রহীতার চাহিদার উপর নির্ভর করে বা প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে এই ঋণ প্রদান করে থাকে যার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

আরো পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে পোল্যান্ড যাওয়ার নিয়ম - পোল্যান্ড কাজের বেতন কত ২০২৩

মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা: গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকরা যেন মোবাইলের মাধ্যমে কাজ করতে পারে সেজন্য গ্রামীণ ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে থাকে। আর এই সুবিধা গ্রাহকদের আরো সহজ এবং সুরক্ষিত করেছে তাই এই সুবিধা গ্রাহকদের জন্য অনেক উপকারী।

গ্রামীণ ব্যাংকের ফসল ঋণ: যারা ফসল চাষ করার জন্য ঋণ খুঁজে থাকেন তাদের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ফসল ঋণ প্রদান করে এবং এই ফসল ঋণ স্বল্প মেয়াদী হয়ে থাকে। ফসলের ধরন অনুযায়ী এবং ফসলের জমির পরিমাপ অনুযায়ী এই ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে যার পরিমাণ ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যার বার্ষিক সুদের হার ২০% হয়ে থাকে।

গ্রামীণ ব্যাংকের পশু সম্পদ ঋণ: গ্রামীণ ব্যাংক পশু সম্পদ ঋণ প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ গবাদি পশু ক্রয় এবং মোটাতাজাকরণের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে। গবাদি পশুর পরিমাণ সংখ্যা অনুযায়ী এবং পশুর মান অনুযায়ী এই ঋণের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এবং এই ঋণটি এক বছর মেয়াদী হয়ে থাকে যা সাপ্তাহিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। যার বার্ষিক সুদের হার ২০% হয়ে থাকে। 

গ্রামীণ ব্যাংকের লোন পদ্ধতি 

গ্রামীণ ব্যাংকের লোন পদ্ধতি অনেক সহজ এটা যে কেউ খুব সহজেই নিতে পারবে। গ্রামীণ ব্যাংকের লোন নেওয়ার জন্য আপনাকে ব্যাংকে যেতে হবে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় এবং উপজেলায় গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে। সেখানে গিয়ে ব্যাংকে থাকা কর্মকর্তাদের বলতে হবে তাহলে তারা আপনাকে একটি লোনের ফর্ম দিবে সে ফরম পূরণ করতে হবে। 

ফরম পূরণ করার আগে সেখানে থাকা কর্মকর্তাদের জানাতে হবে আপনি কোন লোন নিতে চাচ্ছেন।কারণ আপনি যদি তাদের আগে জানিয়ে দেন কোন লোন নিতে চাচ্ছেন তাহলে তারা আপনাকে সেই লোনের ফরম দিবে। এবং সেই ফর্মের পাশাপাশি কিছু প্রয়োজনীয় শর্ত দিবে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করার পরে আপনার গ্রামীণ ব্যাংকের লোন এপ্রুভ হয়ে যাবে তারপরে আপনাকে লোন প্রদান করা হবে।

গ্রামীণ ব্যাংক শাখা

সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় উপজেলায় এবং প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে।আপনি যদি গ্রামীণ ব্যাংকের এই http://grameenbank.org.bd/ ওয়েবসাইটে যান তাহলে জানতে পারবেন গ্রামীন ব্যাংকের শাখা গুলো সম্পর্কে। আর গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা গুলোর নাম ওইভাবে দেওয়া সম্ভব না কারণ বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে আপনার এলাকায় খোঁজ নিলে দেখতে পাবেন আপনার এলাকাতেও গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে।আর গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান শাখা অর্থাৎ হেড অফিস মিরপুর ২, ঢাকা ১২১৬ বাংলাদেশ।  

গ্রামীণ ব্যাংক কি সরকারি 

গ্রামীণ ব্যাংক কোন সরকারি ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত নয় কিন্তু কিছু পার্সেন্ট সরকারি ব্যাংকের অধীনে রয়েছে।তবে পুরোপুরিভাবে গ্রামীণ ব্যাংক সরকারি অধীনে নেই। আবার গ্রামীণ ব্যাংক জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদিত সেজন্য গ্রামীণ ব্যাংক একটি স্বাধীন ব্যাংক। গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা ৯৭% ঋণ গ্রহীতাদের শেয়ার ধারণ করে আর বাকি ৩% সরকার।

গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা 

গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা অনেক ভালো কারণ ১৯৮৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত যখন ডক্তর ইউনূসের দায়িত্ব ছিল তখন গ্রাহকদের মাঝে ৭০ হাজার ৩০০ কোটি টাকার ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছিল যার সময়কাল ছিল ২৮ বছর। কিন্তু ডক্টর ইউনূসের সমাপ্তির পরে নতুন নেতৃত্বে সাড়ে আট বছরের মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্রতম ঋণ হিসেবে বিতরণ করে ৫২ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা।

আরো পড়ুন: বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৩ - বাটন মোবাইলে বিকাশ খোলার নিয়ম

তাহলে ২৮ বছরের তুলনায় ৮ বছরের ঋণ বিতরণের হিসাব দেখেই বুঝতে পারছেন কতটা উন্নতি করেছে গ্রামীণ ব্যাংক। সব মিলিয়ে ২০২০ সালের জুন মাসে এসে গ্রামীণ ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার কোটি টাকার মতো। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা অনেক ভালো এবং আগের থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। 

গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কে

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। বাংলাদেশের দরিদ্র অসহায় মানুষদের জন্য ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ডঃ ইউনুস। তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষদের জন্য এমন একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে গেছেন যা থেকে বর্তমানে অনেক মানুষ সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে এবং স্বাবলম্বী হতে পারছে। 

গ্রামীণ ব্যাংকের পেনশন হিসাব

প্রতিটি চাকরির শেষে পেনশনের ব্যবস্থা থাকে চাকরির বয়স শেষ হওয়ার পরে সেই সকল ব্যক্তিদেরকে পেনশন দেওয়া হয় কিন্তু অনেকে গ্রামীণ ব্যাংকের পেনশন হিসাব সম্পর্কে বুঝতে পারে না কিন্তু আপনি চাইলে নিজে নিজেই ঘরে বসে গ্রামীণ ব্যাংকের পেনশন হিসাব করতে পারবেন শুধুমাত্র একটি নিয়ম জানা থাকতে হবে গ্রামীণ ব্যাংকের পেনশন হিসাব করার নিয়ম হলো সর্বমোট চাকরির জন্য ধার্যকৃত পেনশনের হার (×) গুণন সর্বশেষ বেতন ( ÷) ২ = মোট পেনশের টাকার পরিমাণ। 

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার কত

যারা গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার কত জানতে চান বা দেখতে চান তাদের জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার হিসাব নিচে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলোঃ

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার কত

গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি - গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত: শেষ কথা 

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেল আপনাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলী গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজারের বেতন কত গ্রামীণ ব্যাংকের সুযোগ সুবিধা গ্রামীণ ব্যাংকের লোন পদ্ধতি গ্রামীণ ব্যাংক শাখা কোথায় কোথায় রয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক কি সরকারি গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কে গ্রামীণ ব্যাংকের পেনশন হিসাব গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার কত এই সকল বিষয়ে। আশা করছি আপনাদের সকল বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরেছেন।

যদি আপনাদের এই বিষয়ে আরো কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারেন এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পেতে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন