কলার উপকারিতা ও অপকারিতা - কলার পুষ্টিগুন

কলার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেটে সার্চ করে যারা আমাদের এই আর্টিকেলটি ওপেন করেছেন তাদের বলবো সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের আর্টিকেলে আপনাদের সাথে আলোচনা করব কলার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং কলার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কলার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত।
কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

বিভিন্ন রকম কলার উপকারিতা গুলো কি কি এবং কলার পুষ্টিগুন গুলো কি সেই সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হবে তাই যারা এই সকল বিষয়ে জানতে চান তারা আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। 

পেজ সূচিপত্রঃ কলার উপকারিতা ও অপকারিতা  - কলার পুষ্টিগুন 

কলার উপকারিতা

অনেকের পছন্দের খাবার হল কলা। কলা কম বেশি আমরা সবাই খেয়ে থাকি কিন্তু এই কালার কত রকম উপকারিতা রয়েছে তা হয়তো অনেকেই জানিনা। আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কলার অনেক উপকারিতা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কলার উপকারিতা গুলো কি কি?

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

কলার উপকারিতা হলো কলা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কলার ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মানুষের ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার ওজন কমাতে চান তাহলে প্রতিদিন পরিমাণ মতো খাবার খাওয়ার পরে কলা খেতে পারেন।

হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে

কলার ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে। আমাদের সকলেরই হাড়ের সঠিক গঠন হওয়া প্রয়োজন তাই হাড়ের সঠিক গঠন অথবা হাড় শক্ত করতে চাইলে কলার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

শরীরের এনার্জি বৃদ্ধি করে

অনেক সময় খুব বেশি পরিশ্রম করার ফলে শরীরের এনার্জি কমে যায় আর তখন শরীর দুর্বল লাগে। আর শরীরের এনার্জি বৃদ্ধি করার জন্য কলা অনেক উপকারিতা। তাই শরীরের এনার্জি বৃদ্ধি করতে কলা খেতে পারেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

কলার ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তাই কারো যদি কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে নিয়মিত পরিমাণ মতো কলা খেতে পারেন এতে করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যাবে।

আরো পড়ুনঃ কাঠ বাদামের উপকারিতা - কাঠ বাদামের ক্ষতিকর দিক

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

অনেকেই মনে করতে পারেন কলা যেহেতু মিষ্টি তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কলা ক্ষতিকর। কিন্তু না ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কলা অনেক উপকারী। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের কলা খাওয়াতে পারেন বা খেতে পারেন এতে করে কিছুটা উপকার পাবেন।

ত্বক সুন্দর রাখে 

কলার ভিতর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে তাই আমরা যদি নিয়মিত কলা খেতে পারি তাহলে আমাদের ত্বক অনেকটা সুন্দর থাকবে। তাই নিয়মিত পরিমাণ মতো পাকা কলা খাওয়ার চেষ্টা করবেন এতে করে অনেক উপকারিতা পাবেন।

স্বাস্থ্য উপকারিতা 

কলার ভিতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ফাইবার পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়ে থাকে আর এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্ত থাকার জন্য কলার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

কলার উপকারিতা ও উপকারিতা এবং কলার পুষ্টিগুণ অনেক রয়েছে তাই আপনি যদি এই কলার পুষ্টিগুন গুলো পেতে চান তাহলে নিয়মিত পরিমাণ মতো কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন। নিয়মিত কলা খেলে বিভিন্ন রকম শরীরের উপকারিতা পাবেন। এখন চলুন নিচের অংশে জেনে নিন সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা গুলো। 

সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা 

কলার উপকারিতা ও অপকারিতা দুটোই রয়েছে। সকালে কলা খাওয়ার কিছু উপকারিতা রয়েছে কিন্তু সকালে একেবারে খালি পেটে কলা খাওয়া যাবে না এতে করে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি যদি সকালে নাস্তার সাথে কলা খেতে পারেন তাহলে। 

সকালে নাস্তার সাথে যদি কলা খান তাহলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পাবে। এবং শরীরের বিভিন্ন রকম সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যাবে এবং শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে কলা। তাই সকালে যে কোন নাস্তার সাথে কলা খাবেন একেবারে খালি পেটে কলা খাবেন না। এখন চলুন নিচের অংশে জেনে নিন রাতে কলা খাওয়ার উপকারিতা কি?

রাতে কলা খাওয়ার উপকারিতা 

কলা এমন একটি ফল যার ভিতর প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে। সেজন্য অনেক সময় ডাক্তার কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কলার ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা পেসিকে শীতল করে থাকে। তাই আপনি সারাদিনের কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। আর আপনি যদি হালকা পরিমাণ কলা রাতের বেলা খেতে পারেন তাহলে পেসি শীতল থাকবে। 

আরো পড়ুনঃ সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায় - মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

তবে রাতের বেলা ঘুমানোর আগে কলা না খাওয়াই ভালো। কারণ আপনি যখন রাতের বেলা ঘুমান তখন আপনার খাবার হজম তেমন একটা হয় না। তাই আপনি যদি রাতের বেলা কলা খেয়ে ঘুমান তাহলে এটা আপনার পেটের সমস্যা করতে পারে। আবার যাদের সর্দি রয়েছে তারা যদি রাতের বেলায় কলা খাই তাহলে সর্দি আরও বেশি হয়ে যাবে। সেজন্য রাতের বেলা কলা না খাওয়াই ভালো। কলার উপকারিতা ও অপকারিতা দুটোই রয়েছে তাই আপনাকে বুঝে শুনে কলা খেতে হবে।

সবরি কলার উপকারিতা 

সবরি কলা সবচেয়ে মিষ্টি এবং খেতে সুস্বাদু। সবরি কলা পছন্দ করে না এমন মানুষ নাই বললেই চলে। এই সবরি কলার পুষ্টিগুন অনেক রয়েছে এবং সবরি কলার উপকারিতা অনেক রয়েছে। সবরি কলার ভেতর প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা আমাদের রেডিক্যাল কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এবং বিভিন্ন রকম রোগের ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।

সবরি কলা খেলে উচ্চ রক্তচাপ কম হয় এবং অনেকের হার্টঅ্যাটাক  এর মতো সমস্যা হয়ে থাকে এই গুলো সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে সবরি কলা। সবরি কলা রক্ত শূন্যতা দূর করে কারণ সবরি কলায় অনেক আয়রন রয়েছে। আমাদের শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে এবং শক্তি যোগাতে সাহায্য করে থাকে সবরি কলা। এই গুলো ছাড়াও সবরি কলার আরো অনেক উপকারী রয়েছে। সবরি কলা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এখন চলুন নিচের অংশে জেনে নিন সাগর কলার  উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো।

সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা 

অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি? কলা এমন একটি ফল যা খেতে অনেক সুস্বাদু এবং কলার পুষ্টিগুন ও উপকারিতা অনেক রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এখন জানুন সাগর কলার উপকারিতা গুলো।

রক্ত শূন্যতা দূর করে

সাগর কলার ভিতর প্রচুর পরিমাণ আয়রন রয়েছে যা আমাদের শরীরের আয়রন এর ঘাটতি পূরণ করে থাকে এবং রক্ত শূন্যতা দূর করে থাকে। তাই আপনি রক্ত শূন্যতা দূর করতে চাইলে এবং আয়রন বৃদ্ধি করতে চাইলে সাগর কলা খেতে পারেন।

দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে 

সাগর কলার ভেতর রয়েছে এন্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের ত্বক উজ্জ্বল রাখে এবং দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। তাই এইগুলো উপকারিতা পেতে সাগর কলা খেতে পারেন।

খাবার হজমে

সাগর কলার ভেতর অনেক ফাইবার রয়েছে যা আমাদের খাওয়া খাবার খুব তারাতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনি খাবার খাওয়ার পরে একটি সাগর কলা খেতে পারেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

আমাদের ভেতর অনেক মানুষ রয়েছে যারা কোষ্ঠকাঠিন্যর  মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন এবং অনেক কষ্ট পান তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত সাগর কলা খাবেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা - ২ মাসের গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা 

আশা করছি জানতে পারলেন সাগর কলার উপকারিতা গুলো কি? কিন্তু সাগর কলার উপকারিতা যেমন রয়েছে তেমনি এর কিছু অপকারিতা রয়েছে। এবার জানুন সাগর কলার কয়েকটি অপকারিতা গুলো।

সাগর কলার অপকারিতা হলো আপনি যদি খুব বেশি পরিমাণ সাগর কলা খেয়ে ফেলেন ডাহলে আপনার স্বর্দি লাগতে পারে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা যদি বেশি পরিমাণ সাগর কলা খেয়ে ফেলে তাহলে তাদের ডায়াবেটিস বেড়ে যাবে এবং অনেক সমস্যা দেখা দিবে। সকালে খালি পেটে সাগর কলা খেলে গ্যাসের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। 

এছাড়াও বেশি পরিমাণ সাগর কলা খেলে বিভিন্ন রকম সমস্যা হতে পারে তাই একসাথে বেশি পরিমাণ সাগর কলা খাবেন না। আশা করছি জানতে পারলেন সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো। এখন নিচে জেনে নিন কলার পুষ্টিগুন গুলো। 

কলার পুষ্টিগুন 

ইতোমধ্যে আপনারা কলার উপকারিতা গুলো জানতে পেরেছেন কিন্তু কলার পুষ্টিগুন গুলো কি তা আপনাদের জানা প্রয়োজন কলার পুষ্টিগুন গুলো হলো।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট 

পটাসিয়াম 

ম্যাগনেসিয়াম

আয়রন

কার্বোহাইড্রেট

প্রোটিন

এগুলোই হল কলার পুষ্টিগুন। আপনি যদি নিয়মিত কলা খেতে পারেন তাহলে এইগুলো পুষ্টিগুণ পাবেন। তাই এগুলো কলার পুষ্টিগুন পেতে নিয়মিত পরিমাণ মতো কলা খাবেন। 

বেশি কলা খেলে কি হয়

কলার উপকারিতা ও অপকারিতা দুটোই রয়েছে তাই আপনাকে পরিমাণ মতো কলা খেতে হবে যদি বেশি পরিমাণ কলা খান তাহলে এতে করে উপকারের বদলে অপকার বেশি হবে। বেশি কলা খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিবে। কলা একটি ঠান্ডা জিনিস তাই আপনি যদি বেশি পরিমাণ কলা খান তাহলে সর্দি লেগে যাবে। এবং যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা যদি বেশি পরিমাণ একসাথে কলা খায় তাহলে তাদের ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাবে। তবে পরিমাণ মতো খেলে উপকারিতা রয়েছে। বেশি কলা খেলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তারা যদি বেশি পরিমাণ কলা খায় তাহলে তাদের মাইগ্রেনের সমস্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই বেশি পরিমাণ কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। বেশি পরিমাণ কলা খেলে শরীরে ক্লান্তি ভাব হয় এবং বেশি বেশি ঘুম পেয়ে থাকে এতে করে শরীর অনেক খারাপ হয়ে যায়। তাই বেশি পরিমাণ কলা একবারে খাওয়া যাবে না। এখন চলুন নিচের অংশে জেনে নিন কলার ক্ষতিকর দিক ও কলার অপকারিতা গুলো।

কলার ক্ষতিকর দিক - কলার অপকারিতা

সকল জিনিসেরই উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। তেমনি কলার উপকারিতা ও অপকারিতা দুটোই রয়েছে। আপনি যদি বেশি পরিমাণ কলা খান তাহলে এটা আপনার জন্য অনেক ক্ষতিকর অর্থাৎ অপকারী। কলার উপকারিতা গুলো হল

১। যাদের ওজন অনেক বেশি তারা যদি বেশি পরিমাণ কলা খায় তাহলে তাদের ওজন আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং এতে করে অনেক সমস্যা দেখা দিবে।

২। কলা এমন একটি জিনিস যেটি বেশি পরিমাণ খেলে আপনার দাঁতের ক্ষয় বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই বেশি পরিমাণ কলা খাওয়া যাবে না। 

৩। গর্ভবতী নারীদের বেশি পরিমাণ কলা খাওয়ানো যাবে না এতে করে মা ও শিশু দুইজনেরই ক্ষতি হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ পাতলা পায়খানা হলে করণীয় কি - পাতলা পায়খানা হলে ঔষধ 

৪। কলা হল শীতল জাতীয় ফল আপনি যদি বেশি পরিমাণ কলা একসাথে খান তাহলে আপনার সর্দি কাশি হতে পারে।

৫। যাদের ডায়াবেটিস হয়েছে তাদের জন্য কলা কিছুটা উপকারী তবে বেশি পরিমাণ কলা খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কলা অনেকটা অপকারী বা ক্ষতিকর।

এগুলোই মূলত কলার অপকারিতা। আপনি যদি বেশি পরিমাণ কলা খান তাহলে এগুলো ক্ষতি আপনার হতে পারে তাই প্রতিদিন একটা দুইটা কলা খাবেন তাহলে অনেক ভালো উপকারিতা পাবেন। বেশি কলা খেলে কখনো উপকারিতা পাবেন না। আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে কলার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং কলার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পারলেন। 

কলার উপকারিতা ও অপকারিতা  - কলার পুষ্টিগুনঃ শেষ কথা 

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হলো কলার উপকারিতা ও অপকারিতা কলার পুষ্টিগুণ সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা রাতে কলা খাওয়ার উপকারিতা সবরি কলার উপকারিতা সাগর কলার উপকারিতা ও অপকারিতা বেশি কলা খেলে কি হয় এবং কলার ক্ষতিকর দিক ও কলার অপকারিতা গুলো কি এসব সম্পর্কে। 

আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা এই সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। এই বিষয়ে যদি আরো কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। এবং এরকম আরো আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন