ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো - ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ২০২৪

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এবং ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি এ বিষয়টি অনেকে জানতে চেয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন। হয়তো অনেকে সঠিক তথ্য পান না। তাই আপনাদের আজকে এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানাবো ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই বিষয়ে বিস্তারিত। তাহলে চলুন আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এবং ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন সেই বিষয়ে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি সহ কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে হয় এবং কিভাবে টাকা ইনকাম করতে হয় এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হবে তাই আপনারা আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো - ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার - ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ 

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এবং ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি এই বিষয়টা অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন কিন্তু সর্বপ্রথম আপনাদের জানা প্রয়োজন ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ সম্পর্কে। ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় সেই বিষয়ে যদি আপনি আগে জানেন তাহলে বুঝতে পারবেন কোনটি আপনার জন্য ভালো হবে। ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কতগুলো রয়েছে জেনে নিন।

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
  • কোডিং, প্রোগ্রামিং
  • এপস ডেভেলপমেন্ট
  • ফেসবুক মার্কেটিং
  • ইউটিউব মার্কেটিং
  • থ্রিডি অ্যানিমেশন
  • প্রফেশনাল এসইও
  • ওয়েব ডিজাইন

গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন মানে আপনি যদি ভাল ডিজাইন করতে পারেন যেকোনো কিছু তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন করার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক বেশি থাকে তাই আপনি চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন। 

আর্টিকেল রাইটিংঃ আর্টিকেল রাইটিং অর্থাৎ আপনি আমাদের যে আর্টিকেলটি পড়েছেন এরকম ভাবে যদি আপনি লিখতে চান বা আপনার লিখতে ভালো লাগে তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে এই আর্টিকেল রাইটিং বেছে নিতে পারেন। আপনার যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।  

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টঃ ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট অর্থাৎ কোন কোম্পানিতে আপনি সহযোগী হিসেবে অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করতে পারেন। যেমন কোন আইটি সেন্টারে কাস্টমারদের সাথে কথা বলা এবং সকল প্রকার তথ্য দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে এই কাজটি করতে পারেন। 

কোডিং, প্রোগ্রামিংঃ আপনি যদি কোডিং এবং প্রোগ্রামিং শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে চান। তাহলে এটি একটি ভালো মাধ্যম। তবে তার আগে আপনাকে কোডিং এবং প্রোগ্রামিং ভালোভাবে শিখতে হবে এগুলো অনেক কঠিন হয়ে থাকে তবে আপনি যদি ভালোভাবে শিখতে পারেন তাহলে সহজ মনে হয় পরবর্তীতে।

আরো পড়ুনঃ ৭ দিনে মোটা হওয়ার উপায় - মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

এপস ডেভেলপমেন্টঃ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এর ভেতর আরো একটি হলো অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট। আপনি যদি অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ অ্যাপস তৈরি করতে পারেন তাহলে। বিভিন্ন কোম্পানির এপ্স তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে অথবা নিজের জন্য অ্যাপস তৈরি করে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  

ফেসবুক মার্কেটিংঃ ফ্রিল্যান্সিং এর আরো একটি সেক্টর হল ফেসবুক মার্কেটিং আপনি যদি আগে ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে ভালোভাবে শিখতে পারেন তাহলে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে আগে ভালোভাবে শিখতে হবে তারপরে ভালো স্কিল অর্জন করে কাজে লাগতে হবে। 

ইউটিউব মার্কেটিংঃ আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি সেখান থেকে ইউটিউব মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এটি একটি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের মধ্যে পড়ে। 

থ্রিডি অ্যানিমেশনঃ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এর ভেতর আরেকটি হলো থ্রিডি অ্যানিমেশন। যা বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় একটি কাজ। আপনি যদি ভালোভাবে থ্রিডি অ্যানিমেশন এর কাজ শিখতে পারেন তাহলে এই কাজ করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

প্রফেশনাল এসইওঃ SEO অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আর যারা প্রফেশনাল ভাবে এসিও করতে পারে তাদের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এটিও একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে পড়ে। আপনি যদি প্রফেশনাল এসইও এর কাজ শিখতে পারেন এবং করতে পারেন তাহলে এখান থেকে ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

ওয়েব ডিজাইনঃ ওয়েব ডিজাইন করতে হলে আপনাকে জানতে হবে কোডিং। কোডিং শিখলে আপনি সেই কোডিং এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। আর সেই ওয়েবসাইটগুলো সেল করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই বিষয়টা অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন কারণ এখন অনেকেই ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান এবং অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা ইনকাম করছেন সেজন্য এই বিষয়টি জানার জন্য অনেকের বেশি আগ্রহ থাকে যে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই বিষয়টি জানার আগে আপনাদের একটি কথা জেনে রাখা প্রয়োজন। 

ফ্রিল্যান্সিং হল এমন একটি পেশা যেখানে আপনার থাকতে হবে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য পরিশ্রম। আপনি যদি ধৈর্য নিয়ে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে ভালো কিছু করতে পারবেন।ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন এখন বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং শেখানোর নাম করে প্রতারণা করছে তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান তাহলে ইউটিউব এবং গুগল থেকে শিখতে পারেন। 

আরো পড়ুনঃ খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা - খুরমা খেজুরের উপকারিতা

কিন্তু আপনি যদি এভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে না পারেন তাহলে আপনার প্রয়োজন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ভালো বুঝে এবং ফ্রিল্যান্সিং করে থাকে এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং আপনি যদি তার থেকে অথবা তার যদি ভালো কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে পরিচয় সে থেকে থাকে তাহলে সেখানে আপনি জয়েন করে সেখান থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন।  

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

অনেকেই বলে থাকেন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো কারণ এখন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং অনেক ব্যক্তি রয়েছে যারা বলে থাকেন যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে লক্ষ টাকা আয় করা যায় বা আয় করুন। আসলে এটি একটি মিথ্যা এবং ভুল কথা আপনি মোবাইল দিয়ে তেমন ভালোভাবে প্রফেশনাল মানের ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন না। ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে চাইলে আপনার অবশ্যই প্রয়োজন হবে একটা ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার। 

তাই যারা বলে থাকেন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো তাদের বলতে চাই ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগে কষ্ট করে হলেও একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার কিনে নিবেন এবং তারপরে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে শুরু করবেন। তবে হ্যাঁ মোবাইলের মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো দেখতে পারবেন তবে প্রফেশনাল ভাবে সেই কাজগুলো করতে পারবেন না। 

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি? ফ্রিল্যান্সিংয়ে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন কাজ হলো ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল এসইও, কারণ এখন বেশিরভাগ কোম্পানি তাদের সার্ভিস অনলাইন এর মাধ্যমে প্রচার করে থাকেন। আর সেজন্য প্রয়োজন হয় ভালো মানের একটি ওয়েবসাইট সেজন্য আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন তাহলে এই কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে ওয়েব ডিজাইন করে আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

আবার গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক বেশি কারণ এখন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গ্রাফিক্স ডিজাইন অর্থাৎ লোগো ডিজাইন ব্যানার ডিজাইন করার প্রয়োজন হয় আর সেজন্য আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন তাহলে এটি আপনার জন্য অনেক ভালো হবে।  

আরও পড়ুনঃ কাঠবাদাম এর উপকারিতা - কাঠবাদামের ক্ষতিকর দিক 

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি যদি জানতে চান তাহলে বলবো অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদা অনেক বেশি কারণ এখন বিভিন্ন কোম্পানির জন্য অ্যাপস তৈরি করার প্রয়োজন হয় আর আপনি যদি অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন তাহলে এখান থেকে ভালো কিছু করতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে। ফ্রিল্যান্সিং এ আরো একটি কাজের চাহিদা বেশি রয়েছে সেটি হল প্রফেশনাল এসইও। আপনি যদি প্রফেশনাল মানের এসইও করতে পারেন তাহলে এতে করে আপনি অনেক কাজ পাবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে

ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে এটা একেবারে সঠিকভাবে বলা যাবে না কারণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রকম টাকা নিয়ে থাকে এবং ফ্রিল্যান্সিং শিখিয়ে থাকে। তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন ২০০/৫০০ টাকায় এখন অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করাচ্ছে এগুলো করা থেকে একদম বিরত থাকবেন কারণ এগুলো থেকে কখনো কোন কিছু শিখতে পারবেন না। আর যখন টাকা দেওয়ার পরে কোন কিছু শিখতে পারবেন না তখন আপনার এই কাজের প্রতি মন মানসিকতা হারিয়ে যাবে। 

তাই আপনি যদি ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান তাহলে একটা ভালো প্রতিষ্ঠানের খোঁজ করুন এবং সেখানে কিছু টাকা বেশি লাগলেও ভর্তি হতে পারেন এতে করে আপনি সেখান থেকে ভালো কিছু শিখতে পারবেন এবং ভালো কিছু করতে পারবেন। তবে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কমপক্ষে সর্বনিম্ন আপনার ১০ হাজার টাকা লাগবেই যেখানেই শিখেন না কেন।  

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব এটা অনেকে জানতে চান কিন্তু বিভিন্ন রকম ফ্রিল্যান্সিং সাইটের অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে তবে সব সাইটে গিয়ে আপনার জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একটা একাউন্ট তৈরি করতে পারেন এবং একাউন্ট তৈরি করার পরে আপনার ছবি এবং কিছু তথ্য দিয়ে সেগুলো পূরণ করতে হয়। 

তাই আপনি যেই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট করতে চাচ্ছেন সেই সাইট এর নাম লিখে youtube এ সার্চ করুন তাহলে ভালোভাবে দেখতে পারবেন কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খোলা যায়। তবে আপনার যদি কোন কাজের উপর ভালো কোন দক্ষতা না থাকে তাহলে একাউন্ট খুলে কোন লাভ নেই তাই আগে যে কোন একটা কাজের উপর ভালো দক্ষতা অর্জন করুন এবং তারপরে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলতে পারেন।  

মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং সাইট

অনেকেই মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং সাইট সম্পর্কে জানতে চান আসলে মোবাইল দিয়ে আপনি ভালোভাবে কখনোই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন না তারপরেও মোবাইলের মাধ্যমে আপনি এই সাইডগুলোতে একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। 

সেগুলো হলো Fiver.com, Upwork.com, Freelancer.com, Guru.com, 99Design.com, People Pur hour.com এছাড়াও আপনি youtube facebook এ ভিডিও তৈরি করে ফ্রিল্যান্সিং এর মতোই টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে এর জন্য যদি আপনার মোবাইলের পাশাপাশি একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে তাহলে অনেক ভালো সুবিধা পাবেন কাজ করার জন্য। 

ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখবো

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এ বিষয়গুলো আপনারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখব। আসলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগে এই সকল বিষয়ে সকলের জেনে রাখা প্রয়োজন কারণ এখন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং শেখানোর নাম করে ধোঁকাবাজি করে থাকে। 

আরও পড়ুনঃ ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার তালিকা - ক্যালসিয়াম যুক্ত ফল 

সেজন্য আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান তাহলে আগে ইউটিউব এবং গুগল এ সার্চ করে সেখান থেকে শিখতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি গুগলের এবং youtube এর মাধ্যমে শিখতে না পারেন তাহলে। আপনি আপনার আশেপাশে কোথাও ভালো ফ্রিল্যান্সিং শেখায় কিনা সেটা খোঁজ খবর নিয়ে দেখুন এবং যদি ভালো কোন বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান পান তাহলে সেখান থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিতে পারেন। 

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো - ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশিঃ শেষ কথা  

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং সাইট ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখবো এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে। 

আশা করছি আপনারা এ সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরে গেছেন। তারপরও যদি এ সম্পর্কিত কোন বিষয়ে জানতে চান তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন