শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতা - শসা খাওয়ার অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম শসা খাওয়ার উপকারিতা এবং শসা খাওয়ার অপকারিতা কি যদি জানতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আজকের আর্টিকেলে শসা খাওয়ার উপকারিতা সহ এ সম্পর্কিত আরো বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে তাই এই সকল বিষয়ে জানতে চাইলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক শসা খাওয়ার উপকারিতা কি ও শসা খাওয়ার অপকারিতা এই সম্পর্কে।
শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতা

শসা একটি পানি জাতীয় ফল তাই এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। কিন্তু শসা খাওয়ার উপকারিতা কি তা হয়তো অনেকেই জানেন না এবং শসার মধ্যে কি কি পুষ্টিগুণ রয়েছে সেটাও জানেন না তাই আজকের আর্টিকেল থেকে এই সকল বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন। 

পেজ সূচিপত্রঃ শসা খাওয়ার উপকারিতা - শসা খাওয়ার অপকারিতা 

শসা খাওয়ার উপকারিতা

শসা খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ নাই। কিন্তু এই শসা খাওয়ার কত উপকারিতা রয়েছে তা হয়তো আমাদের অনেকেরই অজানা। শসা কে আমরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকি যেমন অনেকে সালাত তৈরি করে খাই আবার অনেকে তরকারি রান্না করে খায়। আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতা গুলো সম্পর্কে। 

  1. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
  2. পানি শূন্যতা পূরণ করে
  3. কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখে
  4. শরীর ঠান্ডা রাখে
  5. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে 
  6. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
  7. কিডনি ও লিভার ভালো রাখে
  8. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
  9. বদহজম এসিডিটি দূর করে
  10. প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে
  11. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
  12. নখ দাঁত চুল এর সমস্যা দূর করে
  13. বাতের ব্যথা উপশম
  14. ওজন কমায়
  15. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে - উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে শসা অনেক উপকারী। তাই কারো যদি উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা থেকে থাকে তাহলে নিয়মিত শসা খেতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

পানি শূন্যতা পূরণ করে - আমাদের শরীরে অনেক সময় পানি শূন্যতা দেখা দেয় আর এই পানি শূন্যতা পূরণ করতে শসা অনেক উপকারী। কারণ শসা একটি পানি জাতীয় ফল এতে করে শসা খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে পানি শূন্যতা পূরণ হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। 

আরো পড়ুনঃ কাজু বাদামের উপকারিতা - কাজু বাদাম খাওয়ার নিয়ম

কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখে - আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি হয়ে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে আর এই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে শসা অনেক উপকারী। তাই শরীরে খারাপ কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিয়মিত শসা খেতে পারেন।  

শরীর ঠান্ডা রাখে - বিশেষ করে গরমের সময় আমাদের শরীর অনেক গরম হয়ে থাকে আর শরীর ঠান্ডা রাখতে শসার জুড়ি মেলা ভার। গরমের সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে ঠান্ডা জিনিস খাওয়ার প্রয়োজন হয় তাই আপনি যদি শসা খান তাহলে এতে করে শরীর ঠান্ডা থাকে।  

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে - শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতার ভেতর আরেকটি উপকারিতা হলো হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। অনেক সময় আমাদের বিভিন্ন খাবার খাওয়ার পরে সেগুলো হজম হতে চায় না কারণ আমাদের অনেকের হজম শক্তি কম তাই আপনি যদি হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে চান তাহলে নিয়মিত শসা খাবেন। 

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে - দৃষ্টিশক্তি বা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে শসা সবচেয়ে বেশি উপকারী। শসার মধ্যে বিভিন্ন রকম পুষ্টিগুণ রয়েছে যা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে তাই চোখের দৃষ্টি শক্তি বা জ্যোতি বৃদ্ধি করতে চাইলে নিয়মিত শসা খাবেন।

কিডনি ও লিভার ভালো রাখে - আমাদের বেঁচে থাকার জন্য লিভার ও কিডনি ভালো রাখা খুবই জরুরী। কারণ এগুলো যদি একবার নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি মৃত্যুবরণ করবেন। সেজন্য লিভার ও কিডনি ভালো রাখতে শসা অনেক উপকারী নিয়মিত শসা খাবেন। 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে - যাদের ডায়াবেটিসের মত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য শসার উপকারিতা অনেক বেশি। নিয়মিত শসা খেতে পারলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শসা যেহেতু একটি পানি জাতীয় ফল তাই পানির চাহিদা পূরণ হয় সেই সাথে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

বদহজম এসিডিটি দূর করে - শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতার ভেতর আরেকটি উপকারিতা হলো আমাদের অনেকের বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে। সেজন্য শসা খেলে বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়ে যায়। 

প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে - অনেক সময় দেহে বিভিন্ন রকম প্রদাহ জনিত সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। আর এই প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করতে শসা খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। সেজন্য এই সমস্যা দূর করতে নিয়মিত শসা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করবেন। 

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে - ক্যান্সার একটি মরণব্যাধি রোগ যেটি একবার হলে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আর এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করার জন্য শসা অনেক উপকারী। আপনি যদি নিয়মিত বেশি বেশি শসা খেতে পারেন তাহলে ক্যান্সার হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। 

নখ দাঁত চুল এর সমস্যা দূর করে - অনেক সময় আমাদের দাঁত নখ এবং চুলের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে যা অনেক কষ্টদায়ক হয়ে থাকে। তাই চুল নখ দাঁতের সমস্যা দূর করতে শসা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। এগুলো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। 

আমাদের গুগল নিউজ ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপরে ফলো করুন 

বাতের ব্যথা উপশম - আপনার যদি বাতের ব্যথা থাকে অথবা শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা করে তাহলে এই ব্যথাগুলো ভালো করার জন্য শসা হতে পারে অনেক উপকারী একটি ফল। তাই আপনার যদি এগুলো সমস্যা থাকে তাহলে বেশি বেশি শসা খাবেন। 

ওজন কমায় - শসার মধ্যে বিভিন্ন রকম পুষ্টিগুণ রয়েছে সেই সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি রয়েছে সেজন্য নিয়মিত শসা খেলে ওজন অনেকটা কমানো যায়। তবে যাদের ওজন বেশি শুধু তাদের ওজন কমতে পারে যাদের ওজন কম তাদের ওজন কমার সম্ভাবনা নেই সেজন্য সবাই শসা খেতে পারবেন। 

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে - শসা খাওয়ার ১৫ টি উপকারিতার ভেতর আরেকটি ভালো উপকারিতা হলো কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত শসা খাবেন তাহলে দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটা ভালো হয়ে গেছে। 

শসার পুষ্টিগুন

শসার মধ্যে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে শসার পুষ্টিগুণ গুলো হলো পটাশিয়াম, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ৬, জিংক, ক্যলরি, সালফার, ফলিক এসিড সহ আরো বিভিন্ন রকম পুষ্টিগুন রয়েছে শসার মধ্যে। আর শসার মধ্যে ৯৫/৯৬ ভাগ পানি রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় এবং উপকারী।  

শসা খাওয়ার নিয়ম

শসা খাওয়ার নিয়ম হলো একটি শসা সুন্দরভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন ধুয়ে নেওয়ার পরে সালাতের মতো করে কেটে নিবেন কেটে নিয়ে অন্য যে কোন খাবারের সাথে যদি শসা খেতে পারেন তাহলে এতে করে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। 

আর শসা খাওয়ার সময় হলো সকালে খাবার খাওয়ার পরে দুপুরের খাবারের সাথে রাতের খাবারের সাথে শসা খাবেন এ ছাড়া আপনি যেকোনো সময় শসা খেতে পারেন এবং শুধু যে সালাত করে খেতে হবে এমন কোন কথা নেই আপনি যেভাবে শসা খাবেন সেভাবেই উপকারিতা পাবেন। তবে নিয়ম মেনে পরিমান মত খেতে হবে। 

শসা খেলে কি ওজন কমে

শসা ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি খাবার। শসার মধ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে তাই শসা খাওয়ার ফলে ওজন অনেকটা কমানো যায়। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন রকম ডায়েট করে থাকেন তেমনি ওজন কমাতে চাইলে ডায়েট হিসেবে শসা খেতে পারেন। এতে করে ওজন অনেকটা কম হবে। 

আরো পড়ুনঃ ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা 2023 

শসা খেলে হজম আস্তে আস্তে হয়ে থাকে সেজন্য শসা ওজন কমাতে অনেক কার্যকরী। এছাড়াও পেটের বিভিন্ন রকম সমস্যা দূর করতে শসা অনেক উপকারী। সেজন্য ওজন কমাতে এবং শসার সকল উপকারিতা পেতে নিয়মিত শসা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। শসা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায় আপনি যেভাবে খাবেন সেভাবেই উপকারিতা পাবেন।  

শসা খাওয়ার সঠিক সময়

শসা খাওয়ার উপকারিতা এবং শসা খাওয়ার অপকারিতা দুটোই রয়েছে সেজন্য নিয়ম মেনে এবং সঠিক সময় শসা খেতে হবে তাহলে সঠিক সময়ে শসা খেলে উপকারিতা বেশি পাওয়া যাবে। শসা খাওয়ার সঠিক সময় হল সকালের নাস্তা খাওয়ার পরে। অথবা দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় খাবারের সাথে সালাত হিসেবে শসা খেতে পারেন তাহলে অনেক বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। 

তাই বলবো শসা খাওয়ার সঠিক সময় হল সকালের নাস্তা খাওয়ার পরে এবং দুপুরের খাবার খাওয়ার সাথে রাতের বেলা শসা খেলে বিভিন্ন রকম সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে তাই রাতের বেলা শসা না খাওয়াই ভালো। এভাবে যদি নিয়ম মেনে সঠিক সময়ে শসা খান তাহলে তার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হবে। 

সকালে খালি পেটে শসা খেলে কি হয় - খালি পেটে শসা খাওয়ার উপকারিতা 

শসা একটি সবজি জাতীয় খাবার যার মধ্যে রয়েছে 95 ভাগ পানি।সেজন্য খালি পেটে শসা খাওয়ার উপকারিতা হলো শরীরে পানি চাহিদা পূরণ হবে পানি শূন্যতা দূর হবে, বাইরে কোন কাজ করতে গেলে শরীর অনেক তাপ হয়ে যায় শসা খেলে সেই তাপ কিছুটা কম হবে, আমাদের শরীরে অনেক সময় ভিটামিনের অভাব দেখা দেয় এই ভিটামিনের অভাব দূর করবে সকালে খালি পেটে শসা খেলে, শরীরের দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করবে খালি পেটে শসা খেলে, সকালে খালি পেটে শসা খেলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং ওজন কমানোর জন্য অনেক কার্যকরী সকালবেলা খালি পেটে শসা খাওয়া।এছাড়াও আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে সকাল বেলা খালি পেটে শসা খাওয়ার। 

রাতে শসা খাওয়ার উপকারিতা 

রাতে শসা খাওয়ার উপকারিতা তেমন একটা নেই কারণ রাতের বেলা শসা খেলে গ্যাস্টিকের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং রাতে শসা খেলে হজমে সমস্যা হয়ে থাকে। তাই রাতের বেলা শসা না খাওয়াই ভালো। শসা খাওয়ার সঠিক সময় হল সকালে এবং দুপুরে সেজন্য রাতের বেলা শসা খাবেন না। আশা করছি বুঝতে পারলেন রাতে শসা খাওয়ার কোন উপকারিতা রয়েছে কিনা। আমরা অনেকেই না জানার কারণে রাতের বেলা শসা খেয়ে থাকি যা মোটেও ঠিক নয়।

শসা খাওয়ার অপকারিতা 

শসা খাওয়ার অনেক উপকারিতা থাকলেও শসা খাওয়ার অপকারিতা কিছু রয়েছে। সেজন্য শসা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে শুধু জানলেই হবে না শসা খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে জানতে হবে। বেশি পরিমাণ শসা খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে জেনে রাখুন।

১। পেটের সমস্যা দূর করার জন্য শসা খাওয়ার উপকারিতা অনেক কিন্তু বেশি পরিমাণ খেয়ে ফেললে এটা পেটের সমস্যা বৃদ্ধি করতে পারে। তাই কখনোই অতিরিক্ত বেশি পরিমাণ শসা খাবেন না।

২। অতিরিক্ত শসা খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা হতে পারে আর বদ হজমের কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিবে তাই কখনোই অতিরিক্ত পরিমাণ শসা খাবেন না।

আরো পড়ুনঃ কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা - কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম

৩। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য শসা খাওয়া অনেক সময় ক্ষতির কারণ হতে পারে। আপনি যদি রাতের বেলা বেশি পরিমাণ শসা খান তাহলে এতে করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি হয়ে যাবে।

৪। শসা একটি পানি জাতীয় ফল তাই আপনি যদি বেশি পরিমাণ শসা খান তাহলে সবসময়ই মূত্র চাপ আসবে যা হতে পারে সমস্যার কারণ।

৫। কিডনি ভালো রাখতে শসা অনেক ভালো কাজ করে কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণ শসা খাওয়ার ফলে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই কখনোই একসাথে অতিরিক্ত পরিমাণ এবং রাতের বেলা শসা খাবেন না। যদি নিয়ম মেনে শসা খান তাহলে কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই কিন্তু নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত পরিমাণ একসাথে শসা খান এতে করে এখানে যেগুলো বলা হলো এগুলো ছাড়াও অনেক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।  

শসা খাওয়ার উপকারিতা - শসা খাওয়ার অপকারিতা: শেষ কথা 

শসা খাওয়ার উপকারিতা শসার পুষ্টিগুণ শসা খাওয়ার নিয়ম শসা খেলে কি ওজন কমে শসা খাওয়ার সঠিক সময় সকালে খালি পেটে শসা খেলে কি হয় খালি পেটে শসা খাওয়ার উপকারিতা রাতে শসা খাওয়ার উপকারিতা শসা খাওয়ার অপকারিতা কি এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হয়েছে। 

আশা করছি আপনি এই সকল বিষয়ে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন তারপরও যদি এই বিষয়ে আরো কোন কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন এবং এরকম আরো তথ্যমূলক আর্টিকেল পেতে আমাদের JONOPRIYO BLOG ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন। এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন